জেরুজালেমে ৩৪শ বসতি নির্মাণ, বন্দি বিনিময়ে ইসরায়েলের হাতিয়ার ১৭শ মরদেহ
ইসরায়েলের কাছে এখনও প্রায় ১ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ভবিষ্যতে বন্দিবিনিময়ের জন্য এসব মরদেহ ‘দর-কষাকষির হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহারের জন্য রাখা হয়েছে। সম্প্রতি ইসরায়েলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভ্যন্তরীণ আলোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ সংবাদ প্রকাশ করেছে হারেৎজ। এদিকে, পূর্ব জেরুজালেমে তিনটি বড় বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়েছে ইসরায়েলি দখলদার কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে গত কয়েক সপ্তাহে ৩ হাজার ৪০০টির বেশি আবাসিক ইউনিট নির্মাণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ফিলিস্তিনের উম্ম তুবা ও উম্ম লিসান-এই দুই এলাকার পাশাপাশি অবৈধ ইসরায়েলি বসতি গিলোকে কেন্দ্র করে পরিকল্পনাগুলো নেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলি সংগঠন ইর আমিম প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। হারেৎজ প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য মতে, ভবিষ্যতে কোনো ইসরায়েলি নাগরিক আটক বা নিখোঁজ হলে তখন দরকষাকষি করতে এসব মরদেহ ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের প্রধান ডেভিড জিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীও একই অবস্থান সমর্থন করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জানা
ইসরায়েলের কাছে এখনও প্রায় ১ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ রয়েছে। ভবিষ্যতে বন্দিবিনিময়ের জন্য এসব মরদেহ ‘দর-কষাকষির হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহারের জন্য রাখা হয়েছে। সম্প্রতি ইসরায়েলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভ্যন্তরীণ আলোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ সংবাদ প্রকাশ করেছে হারেৎজ।
এদিকে, পূর্ব জেরুজালেমে তিনটি বড় বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়েছে ইসরায়েলি দখলদার কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে গত কয়েক সপ্তাহে ৩ হাজার ৪০০টির বেশি আবাসিক ইউনিট নির্মাণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ফিলিস্তিনের উম্ম তুবা ও উম্ম লিসান-এই দুই এলাকার পাশাপাশি অবৈধ ইসরায়েলি বসতি গিলোকে কেন্দ্র করে পরিকল্পনাগুলো নেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলি সংগঠন ইর আমিম প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
হারেৎজ প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য মতে, ভবিষ্যতে কোনো ইসরায়েলি নাগরিক আটক বা নিখোঁজ হলে তখন দরকষাকষি করতে এসব মরদেহ ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের প্রধান ডেভিড জিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীও একই অবস্থান সমর্থন করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা গেছে, ইসরায়েলের কাছে থাকা মরদেহগুলোর বেশিরভাগই গাজা উপত্যকার মুসলিমদের। হারেৎজের দাবি, তাদের অনেকে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলা অথবা পরবর্তী সংঘর্ষে অংশ নিয়েছিলেন। তবে, তাদের মধ্যে এমন অনেকে রয়েছেন যারা কোনো যুদ্ধে অংশ নেননি।
ফিলিস্তিনি বিভিন্ন সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, বন্দি ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের নিয়ে আলোচনায় চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের মরদেহ আটকে রাখে।
ফিলিস্তিনিদের মরদেহ ধরে রাখার এই নীতি নিয়ে ইসরায়েলের অভ্যন্তরেই আইনি প্রশ্ন উঠেছে।
হারেৎজের উদ্ধৃত আইনি সূত্রগুলো বলেছে, ফিলিস্তিনের যেসব নাগরিকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেওয়ার প্রমাণ নেই, তাদের মরদেহ ধরে রাখার আইনি ক্ষমতা রাষ্ট্রের নেই। এ ধরনের পদক্ষেপ চালিয়ে যেতে হলে ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভাকে প্রথমে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতি নির্ধারণ করতে হবে।
গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজার ১৯১ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৩ হাজার ৮৫৩ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া একই সময়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৮০৩ জন নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় মোট নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩১৭ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া, ইসরায়েলি হামলায় আরও ১ লাখ ৭৩ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন।
কেএম
What's Your Reaction?