জেসিআই বাংলাদেশের সেহরি পার্টিতে হিন্দি গানের তালে অশ্লীল নাচানাচি (ভিডিও)
পবিত্র রমজান মাসের মহিমান্বিত ও বরকতময় রাতে মুসলিম উম্মাহ ইবাদত-বন্দেগি, তওবা এবং আত্মিক শুদ্ধির মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করেন সেই রাতেই ‘সেহরি পার্টি’র নামে হিন্দি গানের তালে নাচ-গান ও অশ্লীলতার আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে জেসিআই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা ও জনরোষ সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, সেহরি পার্টির নামে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে উচ্চশব্দে হিন্দি গান, অশ্লীল নৃত্য এবং নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশার চিত্র। এমনকি সেখানে মাদক সেবনেরও অভিযোগ তুলেছেন অনেকে। ধর্মীয় পর্যবেক্ষক ও সাধারণ মানুষ বলছেন, এই ধরনের আয়োজন লাইলাতুল কদরের মর্যাদা ও রমজানের পবিত্রতা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে চরমভাবে সাংঘর্ষিক। সংগঠনটির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সদস্য ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের সেহরিতে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে আমরা চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ি। হিন্দি গানের তালে ভাড়া করা নর্তকী ও টিকটকারদের দিয়ে অশ্লীল নাচের আসর বসানো হয়েছিল। শোন
পবিত্র রমজান মাসের মহিমান্বিত ও বরকতময় রাতে মুসলিম উম্মাহ ইবাদত-বন্দেগি, তওবা এবং আত্মিক শুদ্ধির মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করেন সেই রাতেই ‘সেহরি পার্টি’র নামে হিন্দি গানের তালে নাচ-গান ও অশ্লীলতার আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে জেসিআই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা ও জনরোষ সৃষ্টি হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, সেহরি পার্টির নামে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে উচ্চশব্দে হিন্দি গান, অশ্লীল নৃত্য এবং নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশার চিত্র। এমনকি সেখানে মাদক সেবনেরও অভিযোগ তুলেছেন অনেকে।
ধর্মীয় পর্যবেক্ষক ও সাধারণ মানুষ বলছেন, এই ধরনের আয়োজন লাইলাতুল কদরের মর্যাদা ও রমজানের পবিত্রতা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে চরমভাবে সাংঘর্ষিক।
সংগঠনটির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সদস্য ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমাদের সেহরিতে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে আমরা চরম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ি। হিন্দি গানের তালে ভাড়া করা নর্তকী ও টিকটকারদের দিয়ে অশ্লীল নাচের আসর বসানো হয়েছিল। শোনা যাচ্ছে, দেশের কিছু নামি-দামি করপোরেট প্রতিষ্ঠান এই আয়োজনে পৃষ্ঠপোষকতা করেছে।’
সংগঠনটির ভেতরে অস্থিরতা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে অন্য এক সদস্য জানান, জেসিআই বাংলাদেশের বর্তমান ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট আরেফিন রাফি আহমেদের নেতৃত্বে এ ধরনের বিতর্কিত কার্যক্রম নিয়মিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক সংগঠনের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পাশাপাশি নারী সদস্যদের লাঞ্ছিত করার মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। কিন্তু প্রভাব ও ভয়ের কারণে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।
এদিকে, ধর্মীয় আবহে এমন কুরুচিপূর্ণ আয়োজনের খবর ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, ধর্মীয় অনুভূতির তোয়াক্কা না করে এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের ধৃষ্টতা তারা কোথায় পায়?
সাধারণ মানুষের দাবি, এটি সুপরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত হানার একটি চেষ্টা। তারা অবিলম্বে এই ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, এ ধরনের অপসংস্কৃতি চলতে থাকলে দেশের ধর্মীয় সংবেদনশীলতা ও সামাজিক অবক্ষয় চরম আকার ধারণ করবে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থার দাবি এখন সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের।
What's Your Reaction?