জ্বালানি সংকটে চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ নৌরুটে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ

চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ নৌরুটে জ্বালানি তেলের অভাবে স্পিডবোট চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) সকাল থেকে এ রুটে কোনো স্পিডবোট চলাচল করেনি। ফলে স্পিডবোট না পেয়ে অনেক যাত্রীই ফিরে গেছেন। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন এ রুটে প্রায় ৯০ শতাংশ যাত্রীই স্পিডবোটে যাতায়াত করেন। তবে অন্য নৌযান- ফেরি, ট্রলার ও এমভি মালঞ্চ স্বাভাবিকভাবে চলছে। এদিকে হঠাৎ স্পিডবোট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেশ বিপাকে পড়েছেন এ রুটের যাত্রীরা। কেউ কেউ বিকল্প নৌযানে গন্তব্যে পৌঁছালেও অনেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন। ঢাকা থেকে সন্দ্বীপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে রেলযোগে চট্টগ্রাম পৌঁছান এই রুটের যাত্রী মিজানুর রহমান টিটু। কিন্তু ঘাট কর্তৃপক্ষের ফেসবুক স্ট্যাটাসে স্পিডবোট চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেখে তিনি হতাশা প্রকাশ করেন। মুঠোফোনে তিনি বলেন, ঈদের আগে হঠাৎ করে স্পিডবোট বন্ধ হওয়ায় ঘাটে অনেক যাত্রী আটকে পড়ছেন। স্পিডবোট না থাকায় এখন বাধ্য হয়ে কাঠের বোট সার্ভিস বা মালবাহী বোটে করেই সন্দ্বীপ যেতে হবে। বিআইডব্লিউটিএর অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান আদিল এন্টারপ্রাইজের পরিচালক জগলুল হোসেন নয়ন কালবেলাকে বলেন, দৈনিক প্রায় তিন হাজার লিটার অক

জ্বালানি সংকটে চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ নৌরুটে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ

চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ নৌরুটে জ্বালানি তেলের অভাবে স্পিডবোট চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) সকাল থেকে এ রুটে কোনো স্পিডবোট চলাচল করেনি। ফলে স্পিডবোট না পেয়ে অনেক যাত্রীই ফিরে গেছেন।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন এ রুটে প্রায় ৯০ শতাংশ যাত্রীই স্পিডবোটে যাতায়াত করেন। তবে অন্য নৌযান- ফেরি, ট্রলার ও এমভি মালঞ্চ স্বাভাবিকভাবে চলছে।

এদিকে হঠাৎ স্পিডবোট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেশ বিপাকে পড়েছেন এ রুটের যাত্রীরা। কেউ কেউ বিকল্প নৌযানে গন্তব্যে পৌঁছালেও অনেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

ঢাকা থেকে সন্দ্বীপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে রেলযোগে চট্টগ্রাম পৌঁছান এই রুটের যাত্রী মিজানুর রহমান টিটু। কিন্তু ঘাট কর্তৃপক্ষের ফেসবুক স্ট্যাটাসে স্পিডবোট চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেখে তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।

মুঠোফোনে তিনি বলেন, ঈদের আগে হঠাৎ করে স্পিডবোট বন্ধ হওয়ায় ঘাটে অনেক যাত্রী আটকে পড়ছেন। স্পিডবোট না থাকায় এখন বাধ্য হয়ে কাঠের বোট সার্ভিস বা মালবাহী বোটে করেই সন্দ্বীপ যেতে হবে।

বিআইডব্লিউটিএর অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান আদিল এন্টারপ্রাইজের পরিচালক জগলুল হোসেন নয়ন কালবেলাকে বলেন, দৈনিক প্রায় তিন হাজার লিটার অকটেন তেলের প্রয়োজন। সরকারি সংস্থা মেঘনা অয়েল কোম্পানি থেকে তেল ক্রয়ের চেষ্টা করেও তেল মেলেনি। 

তিনি আরও বলেন, আমরা তেল সংগ্রহের চেষ্টায় আছি। তবে কবে তেল মিলবে তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা নেই।

মেঘনা পেট্রোলিয়াম কোম্পানির উপমহাব্যবস্থাপক মো. লুৎফর রহমান বলেন, তেলের সংকট দীর্ঘস্থায়ী হবে না। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে তেলবাহী জাহাজ প্রবেশ করেছে এবং দ্রুত সরবরাহ শুরু হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow