জয়পুরহাটে দুটি আসনের ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনের সরঞ্জাম পাঠানো সম্পন্ন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জেলার ২টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনের সরঞ্জাম পাঠানো সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার(১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে জেলার সদর উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে এ সব সরঞ্জাম বিতরণ করা শুরু হয় । জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ২টি সংসদীয় আসনের মধ্যে জয়পুরহাট-১ আসনে ১৫১ টি ও জয়পুরহাট-২ আসনে ১০৪ টিসহ মোট ২৫৫টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী কাজে ব্যবহারের জন্য সিল, কাগজ-কলম, প্যাড, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সসহ প্রয়োজনীয় সব নির্বাচনী সরঞ্জাম সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার মাহমুদ হাসান জানান, সকাল থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে নির্বাচন অফিস থেকে সরঞ্জাম সংগ্রহ করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। নির্বাচনী নিরাপত্তা জোরদারে ইতোমধ্যে অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে সিসি টিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। জেলায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীতে ২প্লাটুন র‌্যাব, ১৩ প্লাটুন বিজিবি, ৬১৮ জন সেনাবাহিনী, ১ হাজার ২২ জন পুলিশ ও ৩ হাজার ৩১৫ জন আনসার সদস্য কাজ করছে। এছাড়া প্রতি উপজেলায় একজন করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ মোট ২

জয়পুরহাটে দুটি আসনের ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনের সরঞ্জাম পাঠানো সম্পন্ন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জেলার ২টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনের সরঞ্জাম পাঠানো সম্পন্ন হয়েছে।

বুধবার(১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে জেলার সদর উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে এ সব সরঞ্জাম বিতরণ করা শুরু হয় ।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ২টি সংসদীয় আসনের মধ্যে জয়পুরহাট-১ আসনে ১৫১ টি ও জয়পুরহাট-২ আসনে ১০৪ টিসহ মোট ২৫৫টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী কাজে ব্যবহারের জন্য সিল, কাগজ-কলম, প্যাড, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সসহ প্রয়োজনীয় সব নির্বাচনী সরঞ্জাম সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার মাহমুদ হাসান জানান, সকাল থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে নির্বাচন অফিস থেকে সরঞ্জাম সংগ্রহ করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। নির্বাচনী নিরাপত্তা জোরদারে ইতোমধ্যে অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে সিসি টিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

জেলায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীতে ২প্লাটুন র‌্যাব, ১৩ প্লাটুন বিজিবি, ৬১৮ জন সেনাবাহিনী, ১ হাজার ২২ জন পুলিশ ও ৩ হাজার ৩১৫ জন আনসার সদস্য কাজ করছে। এছাড়া প্রতি উপজেলায় একজন করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ মোট ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছেন। জেলার ২টি নির্বাচনী আসনে মোট ২৫৫ টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসেবে ১০০টি এবং সাধারণ হিসেবে ১৫৫ টি কেন্দ্রকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া সাংবাদিকদের জানান, সকাল থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে নির্বাচন অফিস থেকে সরঞ্জাম সংগ্রহ করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। পরে আনসার ও পুলিশ বাহিনীর সহযোগিতায় এসব সরঞ্জাম নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। নির্বাচনী নিরাপত্তা জোরদারে ইতোমধ্যে অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে সিসি টিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তারা সম্মিলিতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow