জয়পুরহাটে সৎ মাকে হত্যায় ৩ জনের যাবজ্জীবন
জয়পুরহাটে সৎ মাকে (বি-মাতা) শ্বাসরোধে হত্যার ২০ বছর আগের একটি মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. তসরুজ্জামান আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) আহসান হাবিব চপল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পুনট নয়াপাড়া গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে মোফাজ্জল হোসেন, মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে সুজাউল ইসলাম এবং কছিমদ্দীনের ছেলে সালামত মোল্লা। রায় ঘোষণার পর কড়া পুলিশ পাহারায় আসামিদের জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ১২ আগস্ট কালাই উপজেলার পুনট পূর্ব নয়াপাড়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী মরিয়ম বেওয়ার মরদেহ বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। ওই সময় ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে পুলিশকে না জানিয়েই তড়িঘড়ি করে মরিয়মের দাফন সম্পন্ন করেছিলেন স্বজনরা। পরবর্তীতে মরিয়মে
জয়পুরহাটে সৎ মাকে (বি-মাতা) শ্বাসরোধে হত্যার ২০ বছর আগের একটি মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. তসরুজ্জামান আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) আহসান হাবিব চপল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার পুনট নয়াপাড়া গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে মোফাজ্জল হোসেন, মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে সুজাউল ইসলাম এবং কছিমদ্দীনের ছেলে সালামত মোল্লা। রায় ঘোষণার পর কড়া পুলিশ পাহারায় আসামিদের জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ১২ আগস্ট কালাই উপজেলার পুনট পূর্ব নয়াপাড়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী মরিয়ম বেওয়ার মরদেহ বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। ওই সময় ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে পুলিশকে না জানিয়েই তড়িঘড়ি করে মরিয়মের দাফন সম্পন্ন করেছিলেন স্বজনরা। পরবর্তীতে মরিয়মের ভাই তোজাম্মেল হোসেন জানতে পারেন যে, তার বোনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তোজাম্মেল হোসেন বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত বিষয়টিকে এজাহার হিসেবে গণ্য করতে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।
তদন্তের স্বার্থে আদালতের আদেশে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। মামলার প্রধান আসামি ও নিহতের সতীনের ছেলে (প্রথম স্ত্রীর সন্তান) সুজাউল ইসলাম গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন এবং হত্যার বিস্তারিত বর্ণনা প্রকাশ করেন।
মামলাটি তদন্ত শেষে কালাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সাত্তার ২০০৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীতে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে আদালত সোমবার এ রায় প্রদান করেন।
What's Your Reaction?