জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন
জয়পুরহাটে সৎ মা মরিয়ম বেওয়াকে হত্যার মামলায় সতিনের ছেলেসহ তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার বিকেলে জয়পুরহাট অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মোঃ তসরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন । দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কালাই উপজেলার পুনট পাঁচপাইয়া গ্রামের মৃত নূরুল ইসলামের ছেলে সুজাউল ইসলাম, মৃত কছিমুদ্দিন মোল্লার ছেলে ছালামত মোল্লা ও আব্দুর রহমান সরকারের ছেলে মোফাজ্জল হোসেন সরকার। মামলার বিবরণে জানা গেছে, কালাই উপজেলার পুনট পাঁচপাইয়া গ্রামের মৃত নূরুল ইসলাম ঘটনার আড়াই বছর আগে মারা যান। এরপর মরিয়ম বেওয়া তার সন্তানদের নিয়ে স্বামীর বাড়িতেই বসবাস করতেন। ২০০৫ সালের ৩১ জুলাই তিনি রাতের খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। সে রাতে তার সতীনের ছেলে সুজাউলসহ কয়েকজন তা মা অসুস্থ বলে মরিয়মকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর মাঠের মধ্যে মারপিট করে শ্বাসরোধে মরিয়মকে হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয় এবং সে পুকুরে ডুবে মারা গেছে বলে প্রচার করে। পরের দিন পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বোন বাদী হয়ে একই বছরে
জয়পুরহাটে সৎ মা মরিয়ম বেওয়াকে হত্যার মামলায় সতিনের ছেলেসহ তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার বিকেলে জয়পুরহাট অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মোঃ তসরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন ।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কালাই উপজেলার পুনট পাঁচপাইয়া গ্রামের মৃত নূরুল ইসলামের ছেলে সুজাউল ইসলাম, মৃত কছিমুদ্দিন মোল্লার ছেলে ছালামত মোল্লা ও আব্দুর রহমান সরকারের ছেলে মোফাজ্জল হোসেন সরকার।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, কালাই উপজেলার পুনট পাঁচপাইয়া গ্রামের মৃত নূরুল ইসলাম ঘটনার আড়াই বছর আগে মারা যান। এরপর মরিয়ম বেওয়া তার সন্তানদের নিয়ে স্বামীর বাড়িতেই বসবাস করতেন। ২০০৫ সালের ৩১ জুলাই তিনি রাতের খাবার শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। সে রাতে তার সতীনের ছেলে সুজাউলসহ কয়েকজন তা মা অসুস্থ বলে মরিয়মকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর মাঠের মধ্যে মারপিট করে শ্বাসরোধে মরিয়মকে হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয় এবং সে পুকুরে ডুবে মারা গেছে বলে প্রচার করে। পরের দিন পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বোন বাদী হয়ে একই বছরের ৭ আগস্ট কালাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত সোমবার এ রায় দেন।
What's Your Reaction?