‎ঝিনাইদহে চুরির অভিযোগে শিশুকে বেঁধে রেখে গণপিটুনি

‎ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা বাজারে চুরির অভিযোগে এক শিশুকে গণপিটুনি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।‎শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে স্থানীয় দোকানি ও জনতা শিশুটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে পায়ে কাঠ দিয়ে পিটুনি দেয়।‎ভুক্তভোগী ওই শিশুর নাম সাজু (১৪)। সে পার্শ্ববর্তী মাগুরাপাড়া গ্রামের রশিদের ছেলে।‎‎প্রকাশ্যে এভাবে গণপিটুনি দেওয়া হলেও ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ালেও বিষয়টি নিয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্প।‎‎স্থানীয়দের দাবি, শুক্রবার দুপুরে ডাকবাংলা বাজার সংলগ্ন একটি বাড়িতে চুরির সময় তাকে আটক করা হয়। সেসময় জুম্মার নামাজের আগে ডাকবাংলা মেইন বাসস্ট্যান্ডে এনে দড়ি দিয়ে হাত মোড়া দিয়ে বেঁধে, পায়ের মধ্যে কাঠ দিয়ে পিটুনি দেয়। বাঁধার আগেও তাকে মারপিট করা হয়।‎‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানান, ওই ছেলেটি মাঝে মধ্যেই চুরি করতো। কখনও মোবাইল, কখনও অন্যান্য জিনিস। তবে এভাবে মারপিট ও বেঁধে রাখা উচিত হয়নি। পরবর্তীতে শিশুটিকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা জানা যায়নি।‎‎ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেন বলেন, এভাবে বেঁধে পিটুনি দেওয়া কখনই ঠিক হয়নি। কেউ অপরাধ করলে তার জন্য আইন আছে, আইন অনুযা

‎ঝিনাইদহে চুরির অভিযোগে শিশুকে বেঁধে রেখে গণপিটুনি

‎ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডাকবাংলা বাজারে চুরির অভিযোগে এক শিশুকে গণপিটুনি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে স্থানীয় দোকানি ও জনতা শিশুটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে পায়ে কাঠ দিয়ে পিটুনি দেয়।

ভুক্তভোগী ওই শিশুর নাম সাজু (১৪)। সে পার্শ্ববর্তী মাগুরাপাড়া গ্রামের রশিদের ছেলে।

‎প্রকাশ্যে এভাবে গণপিটুনি দেওয়া হলেও ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ালেও বিষয়টি নিয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্প।

‎স্থানীয়দের দাবি, শুক্রবার দুপুরে ডাকবাংলা বাজার সংলগ্ন একটি বাড়িতে চুরির সময় তাকে আটক করা হয়। সেসময় জুম্মার নামাজের আগে ডাকবাংলা মেইন বাসস্ট্যান্ডে এনে দড়ি দিয়ে হাত মোড়া দিয়ে বেঁধে, পায়ের মধ্যে কাঠ দিয়ে পিটুনি দেয়। বাঁধার আগেও তাকে মারপিট করা হয়।

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানান, ওই ছেলেটি মাঝে মধ্যেই চুরি করতো। কখনও মোবাইল, কখনও অন্যান্য জিনিস। তবে এভাবে মারপিট ও বেঁধে রাখা উচিত হয়নি। পরবর্তীতে শিশুটিকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা জানা যায়নি।

‎ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেন বলেন, এভাবে বেঁধে পিটুনি দেওয়া কখনই ঠিক হয়নি। কেউ অপরাধ করলে তার জন্য আইন আছে, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি পুলিশ সুপারও দেখছেন। এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎বর্তমানে শিশুটি পরিবারের জিম্মায় রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

এম শাহাজান/কেএইচকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow