ঝিনাইদহের চার আসনের তিনটিতেই জামায়াত, ১টিতে বিএনপি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহের সংসদীয় আসনগুলোতে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে ১১ দলীয় জোটভুক্ত দল জামায়াতে ইসলামী। জেলার চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তারা। অন্যদিকে, হেভিওয়েট প্রার্থী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের হাত ধরে একটি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ নির্বাচনের এই চূড়ান্ত ফলাফল নিশ্চিত করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে গভীর রাত পর্যন্ত জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এই আসনগুলোতে গড় ভোটের হার ছিল প্রায় ৭৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৮৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের (দাঁড়িপাল্লা) এএসএম মতিউর রহমান পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৫৫ ভোট। এই আসনে ভোট পড়েছে ৭২ দশমিক ৯৩ শতাংশ। ঝিনাইদহ-২ (সদর-হরিণাকুণ্ডু) আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী আলী আজম মোহাম্মদ আবুবকর।

ঝিনাইদহের চার আসনের তিনটিতেই জামায়াত, ১টিতে বিএনপি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহের সংসদীয় আসনগুলোতে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে ১১ দলীয় জোটভুক্ত দল জামায়াতে ইসলামী। জেলার চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তারা। অন্যদিকে, হেভিওয়েট প্রার্থী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের হাত ধরে একটি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ নির্বাচনের এই চূড়ান্ত ফলাফল নিশ্চিত করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে গভীর রাত পর্যন্ত জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এই আসনগুলোতে গড় ভোটের হার ছিল প্রায় ৭৫ দশমিক ২৬ শতাংশ।

ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৮৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের (দাঁড়িপাল্লা) এএসএম মতিউর রহমান পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৫৫ ভোট। এই আসনে ভোট পড়েছে ৭২ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

ঝিনাইদহ-২ (সদর-হরিণাকুণ্ডু) আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী আলী আজম মোহাম্মদ আবুবকর। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭০২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী আব্দুল মজিদ পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৮৪ ভোট। আসনটিতে ভোট প্রদানের হার ছিল ৭৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

এছাড়া ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর-মহেশপুর) আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মতিয়ার রহমান। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মেহেদী হাসান রনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮২১ ভোট। এই আসনে সর্বোচ্চ ৭৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ ভোট পোল হয়েছে।

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ-সদর আংশিক) আসনে ১ লাখ ৫ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন জামায়াতের আবু তালেব। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ (কাপ-পিরিচ) পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১০৪ ভোট। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী রাশেদ খান ৫৬ হাজার ২২৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। এখানে ভোট পড়েছে ৭৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, জেলার ৪টি আসনে মোট ১০ লাখ ১০ হাজার ১৯৯টি বৈধ ভোট পড়েছে এবং ২০ হাজার ৮৩৭টি ভোট বিভিন্ন কারণে বাতিল হয়েছে। সামগ্রিকভাবে একটি উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রশাসন দাবি করেছে।


এম শাহজাহান/কেএইচকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow