পোস্টাল ব্যালটে ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তীর পক্ষে নীরব বিপ্লব

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ (সদর) আসনে দীর্ঘদিনের প্রথাগত রাজনৈতিক সমীকরণ পাল্টে দিতে চলেছেন তারুণ্যের প্রতিনিধি ও ‘গরিবের ডাক্তার’ খ্যাত ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী। রাজপথের আপোষহীন লড়াই এবং এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নিঃস্বার্থ সেবার স্বীকৃতি মিলছে ভোটের মাঠে। বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র ও ভোটারদের মন্তব্য থেকে জানা গেছে, ইতিমধ্যে যারা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, তাদের একটি বড় অংশই ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী ‘মই’ প্রতীকের ওপর আস্থা রেখেছেন। সচেতন ভোটারদের প্রথম পছন্দ ‘মই’ সাধারণত সরকারি চাকুরিজীবী, প্রবাসী ও সচেতন নাগরিকরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে থাকেন। এই শিক্ষিত ও বিবেকবান ভোটারদের বড় একটি অংশ ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তীকে বেছে নেওয়ার অর্থ হলো—বরিশালের মানুষ এবার স্বচ্ছ ও সাহসী নেতৃত্বের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সচেতন মহলের মতে, পোস্টাল ব্যালটে পাওয়া এই ব্যাপক সাড়া ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী কেবল রাজপথেই জনপ্রিয় নন, বরং ব্যালট যুদ্ধেও তিনি এখন অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছেন। বিসিএস ত্যাগী ডাক্তারের জয়গান, ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী ৩৪তম বিসিএস ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়েও বিলাসব

পোস্টাল ব্যালটে ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তীর পক্ষে নীরব বিপ্লব

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ (সদর) আসনে দীর্ঘদিনের প্রথাগত রাজনৈতিক সমীকরণ পাল্টে দিতে চলেছেন তারুণ্যের প্রতিনিধি ও ‘গরিবের ডাক্তার’ খ্যাত ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী।

রাজপথের আপোষহীন লড়াই এবং এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নিঃস্বার্থ সেবার স্বীকৃতি মিলছে ভোটের মাঠে।

বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র ও ভোটারদের মন্তব্য থেকে জানা গেছে, ইতিমধ্যে যারা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, তাদের একটি বড় অংশই ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী ‘মই’ প্রতীকের ওপর আস্থা রেখেছেন।

সচেতন ভোটারদের প্রথম পছন্দ ‘মই’ সাধারণত সরকারি চাকুরিজীবী, প্রবাসী ও সচেতন নাগরিকরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে থাকেন।

এই শিক্ষিত ও বিবেকবান ভোটারদের বড় একটি অংশ ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তীকে বেছে নেওয়ার অর্থ হলো—বরিশালের মানুষ এবার স্বচ্ছ ও সাহসী নেতৃত্বের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

সচেতন মহলের মতে, পোস্টাল ব্যালটে পাওয়া এই ব্যাপক সাড়া ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী কেবল রাজপথেই জনপ্রিয় নন, বরং ব্যালট যুদ্ধেও তিনি এখন অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছেন।

বিসিএস ত্যাগী ডাক্তারের জয়গান, ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী ৩৪তম বিসিএস ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়েও বিলাসবহুল জীবন ও সরকারি চাকরির মোহ ত্যাগ করে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে নামেন। তার এই অসামান্য ত্যাগ বরিশালের প্রতিটি ঘরে ঘরে তাকে এক অনন্য মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। মেহনতি মানুষের পাশে থাকা এবং করোনাকালীন দুঃসময়ে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ পৌঁছে দিয়ে তিনি যে ‘মানবিক বরিশাল’ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন, ভোটাররা এবার ব্যালটের মাধ্যমে তার প্রতিদান দিতে উন্মুখ হয়ে আছেন।

যে কারণে আলোচনার শীর্ষে ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী, নিঃস্বার্থ জনসেবা, গত এক দশক ধরে নদীভাঙন কবলিত মানুষ, বস্তিবাসী ও নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও অধিকার আদায়ে তিনি ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ।

কোনো বড় ব্যবসায়ী বা কালো টাকার মালিকের সহায়তা না নিয়ে সাধারণ মানুষের দেওয়া ‘গণচাঁদা’ এবং মাটির ব্যাংকে জমানো খুচরো পয়সায় তার নির্বাচনী প্রচার চলছে, যা দেশের রাজনীতিতে এক বিরল ও সততার নজির।

বিশাল এক ভোটব্যাংকের সমর্থনে এই আসনে বড় কিছু রাজনৈতিক দলের সরাসরি প্রার্থী না থাকায় সেই দলগুলোর আদর্শিক কর্মী এবং নিরপেক্ষ সাধারণ ভোটাররা ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তীকে একমাত্র বিশ্বস্ত বিকল্প হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

নির্বাচনের মৌসুমি নেতাদের মতো নয়, বরং সারা বছর সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে থাকায় ভোটাররা তাকে ‘নিজেদের মানুষ’ হিসেবে আপন করে নিয়েছেন।

বরিশাল সচেতন নাগরিক সমাজের মতে, পোস্টাল ব্যালটে ডা. মনিষার পক্ষে যে জোয়ার দেখা যাচ্ছে, তা মূল নির্বাচনে এক ঐতিহাসিক ফলাফলের পূর্বাভাস।

বরিশালের সাধারণ মানুষ ও তরুণ প্রজন্মের ভোটাররা মনে করছেন, গতানুগতিক ও কলুষিত রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী পারেন বরিশালের উন্নয়নে প্রকৃত ভূমিকা রাখতে। ভোটারদের এই স্বতঃস্ফূর্ত জোয়ারে ধসে পড়তে পারে প্রথাগত রাজনীতির পুরনো সব হিসাব-নিকাশ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow