ঝড়ে লন্ডভন্ড ৩ গ্রাম
কুষ্টিয়ার খোকসায় ঝড়ে তিনটি গ্রামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে উপজেলার গোপকগ্রাম ইউনিয়নের সন্তোষপুর ১, গোপকগ্রাম ২ ও গোপকগ্রাম ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ওপর দিয়ে এ ঝড় বয়ে গেছে।
এলাকাবাসী জানান, বিকেল ৩টা থেকে ঝোড়ো বাতাসের সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। কয়েক মিনিটের ঝড়ে সব তছনছ হয়ে যায়। গ্রামের অসংখ্য ছোট-বড় গাছপালা উপড়ে গেছে। তিনটি গ্রামের কয়েকশ ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বিদ্যালয়ের প্রাচীরসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
গোপক গ্রামের দিনমজুর মধু শেখ বলেন, কয়েক মিনিটের ঝড়ে গাছ উপড়ে বাড়িঘর ভেঙে শেষ হয়ে গেছে। কমবেশি সব বাড়িতেই ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় চায়না খাতুন বলেন, ঝড়ে বড়িঘরের অনেক কিছু শেষ হয়ে গেছে। আমার থেকেও সব শেষ। স্বামী থেকেও নেই। দুটি বাচ্চা আছে। এখন টাকাও নেই যে সব ঠিক করব। সরকার যদি একটু আমাদের সহযোগিতা করত তাহলে বাঁচতাম।
গোপকগ্রাম স্কুলপাড়ার জাহেদ বলেন, ঝড়ে তছনছ হয়ে গেছে গ্রামের ঘরবাড়ি। গোপকগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরের শতবর্ষী বটগাছ উপড়ে পড়ে গেছে। অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে মানুষের।
গোপকগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল আলিম সরদার বলেন,
কুষ্টিয়ার খোকসায় ঝড়ে তিনটি গ্রামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে উপজেলার গোপকগ্রাম ইউনিয়নের সন্তোষপুর ১, গোপকগ্রাম ২ ও গোপকগ্রাম ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ওপর দিয়ে এ ঝড় বয়ে গেছে।
এলাকাবাসী জানান, বিকেল ৩টা থেকে ঝোড়ো বাতাসের সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হয়। কয়েক মিনিটের ঝড়ে সব তছনছ হয়ে যায়। গ্রামের অসংখ্য ছোট-বড় গাছপালা উপড়ে গেছে। তিনটি গ্রামের কয়েকশ ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বিদ্যালয়ের প্রাচীরসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভেঙে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
গোপক গ্রামের দিনমজুর মধু শেখ বলেন, কয়েক মিনিটের ঝড়ে গাছ উপড়ে বাড়িঘর ভেঙে শেষ হয়ে গেছে। কমবেশি সব বাড়িতেই ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় চায়না খাতুন বলেন, ঝড়ে বড়িঘরের অনেক কিছু শেষ হয়ে গেছে। আমার থেকেও সব শেষ। স্বামী থেকেও নেই। দুটি বাচ্চা আছে। এখন টাকাও নেই যে সব ঠিক করব। সরকার যদি একটু আমাদের সহযোগিতা করত তাহলে বাঁচতাম।
গোপকগ্রাম স্কুলপাড়ার জাহেদ বলেন, ঝড়ে তছনছ হয়ে গেছে গ্রামের ঘরবাড়ি। গোপকগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরের শতবর্ষী বটগাছ উপড়ে পড়ে গেছে। অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে মানুষের।
গোপকগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল আলিম সরদার বলেন, ঝড়ে তিনটি গ্রামে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মুহূর্তেই কয়েকশ ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। গাছপালা উপড়ে গেছে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ইউএনওকে সব কিছু জানানো হয়েছে।
খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, ঝড়ে কয়েকটি গ্রামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কথা শুনে আমি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। গাছ ভেঙে দুটি বাড়ির ওপর পড়েছে। তাঁতের মিল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ ভেঙে স্কুলের দেওয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানকে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করতে বলেছি। তারা জমা দিলে সহায়তা করা হবে।