টঙ্গীতে ঘরে ছেলের, রেললাইনের পাশে মিললো বাবার মরদেহ
গাজীপুরের টঙ্গীর বনমালা এলাকায় একটি বাড়ি থেকে ছেলে ও রেললাইনের পাশ থেকে বাবার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৬ এপ্রিল) ভোরে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন, টঙ্গীর বনমালা এলাকার বাসিন্দা মো. সোহেল হোসেন (৫০) ও তার ছেলে সাকিব হোসেন (১৮)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত সাকিব (১৮) উত্তরার একটি বেসরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। বাবা সোহেল (৫০) পেশায় রাজমিস্ত্রি হলেও দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। স্থানীয়রা জানান, মা মারা যাওয়ার পর পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করে অভাবের সংসারে হাল ধরেছিলেন সাকিব। শনিবার মধ্যরাতে নিজ ঘরে সাকিব হোসেনের মুখে কাপড় গুঁজে দেওয়া অবস্থায় মরদেহ পাওয়া যায়। সাকিবের মৃত্যুর পর বাড়ির পাশেই রেললাইনের পাশে বাবা সোহেলের ট্রেনে কাটা অবস্থায় মরদেহ পড়ে থাকে দেখে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ দুটির ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ সোহেল হোসেনের বড় ছেলে মো. সোহানকে জিজ্ঞাসাবাদের হেফাজতে নিয়েছে। টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত
গাজীপুরের টঙ্গীর বনমালা এলাকায় একটি বাড়ি থেকে ছেলে ও রেললাইনের পাশ থেকে বাবার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৬ এপ্রিল) ভোরে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন, টঙ্গীর বনমালা এলাকার বাসিন্দা মো. সোহেল হোসেন (৫০) ও তার ছেলে সাকিব হোসেন (১৮)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত সাকিব (১৮) উত্তরার একটি বেসরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। বাবা সোহেল (৫০) পেশায় রাজমিস্ত্রি হলেও দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, মা মারা যাওয়ার পর পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করে অভাবের সংসারে হাল ধরেছিলেন সাকিব।
শনিবার মধ্যরাতে নিজ ঘরে সাকিব হোসেনের মুখে কাপড় গুঁজে দেওয়া অবস্থায় মরদেহ পাওয়া যায়। সাকিবের মৃত্যুর পর বাড়ির পাশেই রেললাইনের পাশে বাবা সোহেলের ট্রেনে কাটা অবস্থায় মরদেহ পড়ে থাকে দেখে স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ দুটির ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ সোহেল হোসেনের বড় ছেলে মো. সোহানকে জিজ্ঞাসাবাদের হেফাজতে নিয়েছে।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, বাবা-ছেলের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি। ঘটনাটিতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আমিনুল ইসলাম/এফএ/জেআইএম
What's Your Reaction?