ইঙ্গিতটা প্রস্তুতি ম্যাচেই পাওয়া গিয়েছিল। এবার বিশ্বকাপের মূল মঞ্চেও দেখা গেল তার বাস্তবায়ন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে একাদশ থেকে বাদ পড়লেন সাঞ্জু স্যামসন। তার জায়গায় উদ্বোধনী জুটিতে নামলেন ঈশান কিষান।
তবে রয়েছে আরও বড় চমক। প্রথম ম্যাচেই খেলছেন না তারকা পেসার জাশপ্রীত বুমরা। অসুস্থতার জন্য তাকে নিয়ে ঝুঁকি নেয়নি ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তার জায়গায় সুযোগ পেলেন মুহাম্মদ সিরাজ। তবে প্রথম ম্যাচেই টস হারলেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমেরিকার অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল।
তবে প্রথম ম্যাচে টস হারলেও হতাশ হননি সূর্যকুমার যাদব। জানালেন টস জিতলেও প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতেন তারা। এ প্রসঙ্গে সূর্যকুমার বলেন, ‘এই মাঠে অনেক ম্যাচ খেলেছি। ভালোই হাওয়া দিচ্ছে। মনে হয় না পরে শিশির নিয়ে বেশি সমস্যা হবে। তবে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে চাপ কিছুটা থাকবেই। তবে চেনা ছন্দ ধরে রাখতে চাই।’
সূর্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই ম্যাচে নেই জাশপ্রীত বুমরা। অসুস্থ থাকায় তাঁকে নিয়ে ঝুঁকি নেয়নি টিম ম্যানেজমেন্ট। তাঁর জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন অভিজ্ঞ পেসার মহম্মদ সিরাজ। সাঞ্জু স্যামসন বাদ পড়ায় ওপেনে নামবেন অভিষেক শর্মা ও ঈশান কিষান। তিনে নামবেন সদ্য চোট সারিয়ে ফেরা তিলক বর্মা। চেনা পজিশন চারে নামবেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। মিডল অর্ডারে ভারতের ভরসা রিঙ্কু সিং ও হার্দিক পান্ডিয়া। শেষ দিকে রানের গতি বাড়ানোর জন্যও তাদের দিকে তাকিয়ে থাকবে ভারত। রয়েছেন দুই অলরাউন্ডার শিবম দুবে ও অক্ষর প্যাটেল। পেস বিভাগ সামলাবেন অর্শদীপ সিং ও মহম্মদ সিরাজ। একমাত্র স্পেশ্যালিস্ট স্পিনার হিসেবে জায়গা পেয়েছেন বরুণ চক্রবর্তী।
এদিকে, টস জিতে সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া যুক্তরাষ্ট্র বল হাতেও দুর্দান্ত শুরু করে। দলের মাত্র ৮ রানেই স্বাগতিক ভারতের প্রথম উইকেট নিয়ে নেয় তারা। রানের খাতা খোলার আগেই অভিষেক শর্মাকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান আলি খান। শুধু তাই নয়? এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মাত্র ৪৬ রানের মধ্যেই ভারতের প্রথম সারির চার মূল্যবান ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরত পাঠায় আমেরিকান বোলাররা। যার মধ্যে রয়েছেন ইশান কিষাণ, তিলক ভার্মা এবং শিবম দুবেও।
ভারতের প্রথম একাদশ
অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষান, তিলক বর্মা, সূর্যকুমার যাদব, রিঙ্কু সিং, হার্দিক পান্ডিয়া, শিবম দুবে, অক্ষর প্যাটেল, অর্শদীপ সিং, মুহাম্মদ সিরাজ এবং বরুণ চক্রবর্তী