টাইব্রেকারে বোনোর দৃঢ়তায় ফাইনালে মরক্কো

টাইব্রেকারের চাপের মুহূর্তে আবারও অটল প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন মরোক্কোর গোলকিপার ইয়াসিন বোনো। তার বীরত্বেই গোলশূন্য ১২০ মিনিটের লড়াই শেষে নাইজেরিয়াকে ৪–২ ব্যবধানে হারিয়ে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্বাগতিক মরক্কো। রাবাতে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময়েও কোনো দল গোলের দেখা পায়নি। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় টাইব্রেকারে। সেখানেই মরক্কোর হয়ে নায়ক বনে যান বোনো। নাইজেরিয়ার স্যামুয়েল চুকউয়েজে ও ব্রুনো অনিয়েমায়েচি–এর নেওয়া দুটি শট ঠেকিয়ে দেন তিনি। টাইব্রেকারের শুরুতে অবশ্য নাইজেরিয়ার গোলরক্ষক স্ট্যানলি নওয়াবালি মরক্কোকে চাপে ফেলেছিলেন। প্রথম শটে হামজা ইগামানের প্রচেষ্টা রুখে দেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত সেটি কাজে আসেনি। মরক্কোর হয়ে পঞ্চম ও নির্ধারণী শটটি সফলভাবে জালে পাঠান ইউসুফ এন-নেসিরি, নিশ্চিত করেন ফাইনালের টিকিট। এই জয়ের মাধ্যমে দীর্ঘ ২২ বছর পর আফকনের ফাইনালে উঠল মরক্কো। সর্বশেষ ২০০৪ সালে তারা ফাইনাল খেলেছিল, যেখানে তিউনিসিয়ার কাছে শিরোপা হাতছাড়া হয়। এবার স্বাগতিকদের লক্ষ্য—পাঁচ দশক পর মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধার। রোববারের ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ সে

টাইব্রেকারে বোনোর দৃঢ়তায় ফাইনালে মরক্কো
টাইব্রেকারের চাপের মুহূর্তে আবারও অটল প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন মরোক্কোর গোলকিপার ইয়াসিন বোনো। তার বীরত্বেই গোলশূন্য ১২০ মিনিটের লড়াই শেষে নাইজেরিয়াকে ৪–২ ব্যবধানে হারিয়ে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্বাগতিক মরক্কো। রাবাতে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময়েও কোনো দল গোলের দেখা পায়নি। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় টাইব্রেকারে। সেখানেই মরক্কোর হয়ে নায়ক বনে যান বোনো। নাইজেরিয়ার স্যামুয়েল চুকউয়েজে ও ব্রুনো অনিয়েমায়েচি–এর নেওয়া দুটি শট ঠেকিয়ে দেন তিনি। টাইব্রেকারের শুরুতে অবশ্য নাইজেরিয়ার গোলরক্ষক স্ট্যানলি নওয়াবালি মরক্কোকে চাপে ফেলেছিলেন। প্রথম শটে হামজা ইগামানের প্রচেষ্টা রুখে দেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত সেটি কাজে আসেনি। মরক্কোর হয়ে পঞ্চম ও নির্ধারণী শটটি সফলভাবে জালে পাঠান ইউসুফ এন-নেসিরি, নিশ্চিত করেন ফাইনালের টিকিট। এই জয়ের মাধ্যমে দীর্ঘ ২২ বছর পর আফকনের ফাইনালে উঠল মরক্কো। সর্বশেষ ২০০৪ সালে তারা ফাইনাল খেলেছিল, যেখানে তিউনিসিয়ার কাছে শিরোপা হাতছাড়া হয়। এবার স্বাগতিকদের লক্ষ্য—পাঁচ দশক পর মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধার। রোববারের ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ সেনেগাল। অন্যদিকে হতাশ নাইজেরিয়াকে খেলতে হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। শনিবার তারা মুখোমুখি হবে মিশর–এর। সেমিফাইনালের ঠিক আগে টাইব্রেকারে নামার মুহূর্তে মাঠ ছাড়েন নাইজেরিয়ার তারকা ফরোয়ার্ড ভিক্টর ওসিমেন। ম্যাচজুড়ে গোলের সামনে তাকে ভুগতে দেখা যায়। পুরো টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতা দল হয়েও এই ম্যাচে আক্রমণে নিষ্প্রভ ছিল সুপার ঈগলসরা। ম্যাচের ১২০ মিনিটে উল্লেখযোগ্য সুযোগ ছিল হাতে গোনা। প্রথমার্ধের বড় একটা সময় কেটে যায় কোনো স্পষ্ট আক্রমণ ছাড়াই। মরক্কোর আশরাফ হাকিমি–র নেওয়া এক কর্নার থেকে পাঁচ গজের মধ্যে সুযোগ পেয়েছিলেন আয়ুব এল কাবি, কিন্তু সময়মতো শট নিতে পারেননি। পরে ইসমাইল সাইবারির দূরপাল্লার প্রচেষ্টা সামাল দেন নওয়াবালি। নাইজেরিয়ার সুযোগ ছিল আরও কম। বক্সের ভেতরে বল পেলেও প্রথম স্পর্শে ব্যর্থ হন ওসিমেন। মরক্কোর ডিফেন্ডার নায়েফ আগুয়ের্দ–এর একটি হেড পোস্টের বাইরে দিয়ে গেলে তখনই বোঝা যাচ্ছিল—ম্যাচের নিষ্পত্তি সম্ভবত টাইব্রেকারেই হবে। শেষ পর্যন্ত সেটাই হলো, আর টাইব্রেকারের মঞ্চে আবারও নায়ক হয়ে উঠলেন ইয়াসিন বোনো।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow