টাঙ্গাইলে জলাবদ্ধতার শিকার ২০০ বিঘা জমি, দুর্ভোগে শত শত কৃষক

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাহাপুর, পিচুরিয়া ও কৃষ্ণপট্টি গ্রামের প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ বিঘা বোরো ও আমন আবাদি ফসলি জমি দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার কারণে অনাবাদি হয়ে পড়েছে। এতে প্রায় ২০০ কৃষক চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। সময়মতো জমিতে চাষাবাদ করতে না পারায় তারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক বছর আগেও অস্থায়ীভাবে পানি নিষ্কাশনের একটি ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু চলতি বছর সেই ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জলাবদ্ধতা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। এছাড়া আগে ওই এলাকায় একটি ব্রিজ থাকলেও বর্তমানে সেটি অপসারণ করা হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানি বের হওয়ার কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না থাকায় কৃষিজমিতে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, জলাবদ্ধ এলাকাটির মাত্র প্রায় এক হাজার ফুট দূরে প্রবাহিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী বৈরাণ নদী। সেখানে একটি খাল খনন অথবা পাইপলাইনের মাধ্যমে নদীতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হবে। এ বিষয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা।

টাঙ্গাইলে জলাবদ্ধতার শিকার ২০০ বিঘা জমি, দুর্ভোগে শত শত কৃষক

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাহাপুর, পিচুরিয়া ও কৃষ্ণপট্টি গ্রামের প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ বিঘা বোরো ও আমন আবাদি ফসলি জমি দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার কারণে অনাবাদি হয়ে পড়েছে। এতে প্রায় ২০০ কৃষক চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। সময়মতো জমিতে চাষাবাদ করতে না পারায় তারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক বছর আগেও অস্থায়ীভাবে পানি নিষ্কাশনের একটি ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু চলতি বছর সেই ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জলাবদ্ধতা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। এছাড়া আগে ওই এলাকায় একটি ব্রিজ থাকলেও বর্তমানে সেটি অপসারণ করা হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানি বের হওয়ার কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না থাকায় কৃষিজমিতে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, জলাবদ্ধ এলাকাটির মাত্র প্রায় এক হাজার ফুট দূরে প্রবাহিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী বৈরাণ নদী। সেখানে একটি খাল খনন অথবা পাইপলাইনের মাধ্যমে নদীতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হলে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হবে। এ বিষয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা।

এ বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামীমা আক্তার বলেন, "ওই এলাকায় সাধারণত বোরো মৌসুমে চাষাবাদ হয়ে থাকে। তবে অতিরিক্ত পানি জমে থাকায় কৃষকরা আমনের আবাদ করতে পারছেন না। বর্তমানে সেখানে মূলত বৃষ্টির পানি জমে রয়েছে। বৃষ্টিপাত কম হলে কৃষকরা আমনের আবাদ করতে পারবেন।

স্থানীয় কৃষকদের আশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এলাকার শত শত বিঘা কৃষিজমি আবারও চাষাবাদের আওতায় আসবে এবং কৃষকদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow