টানা বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত চট্টগ্রাম বন্দর ইয়ার্ড

টানা ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের প্রভাবে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন কনটেইনার ইয়ার্ডে পানি ঢুকে পড়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে বন্দরের সংরক্ষিত এলাকার একাধিক ইয়ার্ড জলাবদ্ধ হয়ে পড়ায় আমদানি পণ্যের নিরাপত্তা এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কয়েক দিন ধরে চলমান বৃষ্টির কারণে ইয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় আমদানি পণ্যের কায়িক পরীক্ষা (ফিজিক্যাল এক্সামিনেশন) কার্যত বন্ধ রয়েছে। এতে কাস্টমসের ছাড়পত্র প্রক্রিয়াও ধীর হয়ে পড়েছে, যা পণ্য খালাসে বিলম্বের আশঙ্কা তৈরি করেছে। চট্টগ্রাম শিপ হ্যান্ডলিং অ্যান্ড বার্থ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সারোয়ার হোসেন সাগর বলেন, টানা বর্ষণের কারণে ইয়ার্ডে পানি জমে থাকায় পণ্যের কায়িক পরীক্ষা পরিচালনা করা যাচ্ছে না। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বন্দরে কনটেইনারের জট তৈরি হতে পারে এবং এতে সামগ্রিক অপারেশন চাপের মুখে পড়বে। অন্যদিকে, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের ভাষ্য, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ইতোমধ্যে বহির্নোঙরে লাইটারেজ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এর সঙ্গে ইয়ার্ডে জলাবদ্ধতা যুক্ত হওয়ায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছ

টানা বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত চট্টগ্রাম বন্দর ইয়ার্ড

টানা ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের প্রভাবে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন কনটেইনার ইয়ার্ডে পানি ঢুকে পড়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে বন্দরের সংরক্ষিত এলাকার একাধিক ইয়ার্ড জলাবদ্ধ হয়ে পড়ায় আমদানি পণ্যের নিরাপত্তা এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কয়েক দিন ধরে চলমান বৃষ্টির কারণে ইয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় আমদানি পণ্যের কায়িক পরীক্ষা (ফিজিক্যাল এক্সামিনেশন) কার্যত বন্ধ রয়েছে। এতে কাস্টমসের ছাড়পত্র প্রক্রিয়াও ধীর হয়ে পড়েছে, যা পণ্য খালাসে বিলম্বের আশঙ্কা তৈরি করেছে।

চট্টগ্রাম শিপ হ্যান্ডলিং অ্যান্ড বার্থ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সারোয়ার হোসেন সাগর বলেন, টানা বর্ষণের কারণে ইয়ার্ডে পানি জমে থাকায় পণ্যের কায়িক পরীক্ষা পরিচালনা করা যাচ্ছে না। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বন্দরে কনটেইনারের জট তৈরি হতে পারে এবং এতে সামগ্রিক অপারেশন চাপের মুখে পড়বে।

অন্যদিকে, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের ভাষ্য, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ইতোমধ্যে বহির্নোঙরে লাইটারেজ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এর সঙ্গে ইয়ার্ডে জলাবদ্ধতা যুক্ত হওয়ায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় গত সোমবার থেকে বহির্নোঙরে জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানো-নামানো বন্ধ রয়েছে। যদিও জেটিতে কার্যক্রম চালু ছিল, তবে ইয়ার্ডে পানি প্রবেশ করায় সেখানকার কার্যক্রমও স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং আবহাওয়ার উন্নতি না হলে বন্দরের পণ্য খালাস, কনটেইনার ব্যবস্থাপনা ও সরবরাহ শৃঙ্খলে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এতে আমদানিকারক, রপ্তানিকারক এবং পরিবহন খাতও চাপে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow