টানা বৃষ্টিতে কলকাতায় জনজীবন বিপর্যস্ত
কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় টানা বৃষ্টিতে জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল থেকেই রাজধানী কলকাতা এবং রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়। এর প্রভাবে কলকাতার বিভিন্ন সড়কে যানজট দেখা দেয়। শহরের কিছু এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে, তবে বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে, উত্তাল সমুদ্রের কারণে দীঘায় আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সতর্ক করতে মাইকিং করছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর পানির স্তর দ্রুত বাড়ছে। এতে ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে। অনেক সড়কে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। উত্তরবঙ্গেও বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি শুক্রবারও অব্যাহত রয়েছে। তিস্তা ও জলঢাকা নদীর পানির স্তর বেড়ে যাওয়ায় এনএইচ-৩১-এর জলঢাকা, তিস্তা দোমোহনী এবং মেখলিগঞ্জ এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া সিকিমের রাংপোর ২০তম মাইল এলাকায় বড
কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় টানা বৃষ্টিতে জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল থেকেই রাজধানী কলকাতা এবং রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়। এর প্রভাবে কলকাতার বিভিন্ন সড়কে যানজট দেখা দেয়। শহরের কিছু এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে, তবে বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, উত্তাল সমুদ্রের কারণে দীঘায় আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সতর্ক করতে মাইকিং করছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন।
অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর পানির স্তর দ্রুত বাড়ছে। এতে ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে। অনেক সড়কে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
উত্তরবঙ্গেও বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি শুক্রবারও অব্যাহত রয়েছে। তিস্তা ও জলঢাকা নদীর পানির স্তর বেড়ে যাওয়ায় এনএইচ-৩১-এর জলঢাকা, তিস্তা দোমোহনী এবং মেখলিগঞ্জ এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
এছাড়া সিকিমের রাংপোর ২০তম মাইল এলাকায় বড় ধরনের ভূমিধসের কারণে গ্যাংটকের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। প্রশাসন রাস্তা পরিষ্কারের কাজ চালালেও টানা বৃষ্টি উদ্ধারকাজে বাধা সৃষ্টি করছে।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে আগামী সোমবার (১৩ জুলাই) পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। এ সময় দমকা হাওয়াও বয়ে যেতে পারে।
শুক্রবার হুগলি, হাওড়া ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায়ও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
ডিডি/এমএসএম
What's Your Reaction?