টিকার অভাবে শিশু মৃত্যু, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি খেলাঘরের

হামের উপসর্গ নিয়ে গত দেড় মাসে ২৭৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই রোগে প্রতিদিন গড়ে সাতজন শিশুর নিভে যাচ্ছে জীবন প্রদীপ। হামে শিশু মৃত্যু কমছে না বরং বাড়ছে। আইসিইউ খুঁজতে খুঁজতে নিভে যাচ্ছে নিষ্পাপ শিশুদের প্রাণ। এসব ঘটনায় গভীয় উদ্বেগ প্রকাশ করে টিকার অভাবে শিশু মৃত্যুর জন্য দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর।  শনিবার (২ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংগঠনের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে বক্তারা এ দাবি জানান।  বক্তারা বলেন, হামের টিকা না দেওয়ায় একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারগুলোতে নেমে এসেছে আতঙ্ক। অথচ শিশুদের সুরক্ষা দেয়ার দায়িত্ব সরকারের। বিগত কয়েক বছর শিশুদের টিকা না দেয়ার কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সংগঠনের নেতারা।  শিশুদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় আইসিইউ না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করে খেলাঘর নেতৃবৃন্দ বলেন, বছরের পর বছর টিকা না দেয়ার সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের যে কোন মূল্যে বিচারের আওতায় আনতে হবে। সেইসঙ্গে শিশুদের সুরক্ষায় সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা নেয়ারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।  খেলাঘর

টিকার অভাবে শিশু মৃত্যু, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি খেলাঘরের
হামের উপসর্গ নিয়ে গত দেড় মাসে ২৭৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই রোগে প্রতিদিন গড়ে সাতজন শিশুর নিভে যাচ্ছে জীবন প্রদীপ। হামে শিশু মৃত্যু কমছে না বরং বাড়ছে। আইসিইউ খুঁজতে খুঁজতে নিভে যাচ্ছে নিষ্পাপ শিশুদের প্রাণ। এসব ঘটনায় গভীয় উদ্বেগ প্রকাশ করে টিকার অভাবে শিশু মৃত্যুর জন্য দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর।  শনিবার (২ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংগঠনের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে বক্তারা এ দাবি জানান।  বক্তারা বলেন, হামের টিকা না দেওয়ায় একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারগুলোতে নেমে এসেছে আতঙ্ক। অথচ শিশুদের সুরক্ষা দেয়ার দায়িত্ব সরকারের। বিগত কয়েক বছর শিশুদের টিকা না দেয়ার কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সংগঠনের নেতারা।  শিশুদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় আইসিইউ না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করে খেলাঘর নেতৃবৃন্দ বলেন, বছরের পর বছর টিকা না দেয়ার সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের যে কোন মূল্যে বিচারের আওতায় আনতে হবে। সেইসঙ্গে শিশুদের সুরক্ষায় সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা নেয়ারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।  খেলাঘর মনে করে শিশুর লাশ যখন বাবার কাঁধে ওঠে তখন তা কেবল একটি পরিবারের শোক নয়, সেটি হয়ে ওঠে রাষ্ট্র সমাজ ও জনগনের দুরবস্থার বাস্তবতা। বক্তারা বলেন, সকল শিশুই রাষ্ট্রের, ফুটপাত বা অট্টালিকা যেখানেই শিশুর জন্ম হোক, সবাইকে সমান গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রকে সুরক্ষা দিতে হবে।  দেশের সকল শিশুর স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুস্টিকর খাদ্য এবং বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকারের কাছে জোড় দাবি জানায় খেলাঘর। পাশাপাশি ইরানে হামলা বন্ধে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ১৯৫২ সালের ২ মে থেকে শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা দেশের বৃহত্তর শিশু-কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসর।     সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ডা. মাখদুমা নার্গিস রত্নার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- সাধারণ সম্পাদক প্রণয় সাহা, শফিকুর রহমান শহীদ, রাজেন্দ্র চন্দ্র দেব মন্টু, সুনীল সরকার, হান্নান চৌধুরী, হাফিজুর রহমান মিন্টু, হাসান তারেক অশোকেশ রায়, রাজন ভট্টাচার্য, নসরু কামাল খান, সামিনা জাহান প্রমুখ।  প্রসঙ্গত, সকালে খেলাঘরের ইস্কাটন্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্টা বার্ষিকীর মূল আয়োজন শুরু হয়। এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দেশ গড়ার শপথ নেন সংগঠনের শিশু কিশোর থেকে শুরু করে নেতাকর্মীরা। শপথবাক্য পাঠ করান কেন্দ্রীয় খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক প্রণয় সাহা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow