টুঙ্গিপাড়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গর্ভবতী নারীসহ আহত ১০
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুপক্ষের সংঘর্ষে গর্ভবতী নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের দক্ষিণ বর্নি গ্রামের মুন্সীপাড়ায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতরা জানায়, বাড়ির জমি নিয়ে দক্ষিণ বর্নি গ্রামের রানা মুন্সির সাথে চাচাতো ভাই ওবায়েদ মুন্সির মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার বিকেলে ওই জমিতে ইটের দেয়াল তোলার কাজ করছিল রানা মুন্সীর লোকজন। তখন ওবায়েদ মুন্সী ও তার লোকজন বাধা দিলে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওবায়দুল মুন্সীর নেতৃত্বে ২০ থেকে ৩০ জন লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রানা মুন্সীর বাড়িতে হামলা করে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে গর্ভবতী নারীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়। গুরুতর আহত ৬ জন গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল চিকিৎসাধীন রয়েছে। বাকিরা টুঙ্গিপাড়া হাসপাতাল ও গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। চিকিৎসাধীন গর্ভবতী নারী মেঘলা আক্তার বলেন, আমার প্রবাসী স্বামী রানা মুন্সীর সঙ্গে ওবায়দুল মুন্সীর জমি নিয়ে বির
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুপক্ষের সংঘর্ষে গর্ভবতী নারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের দক্ষিণ বর্নি গ্রামের মুন্সীপাড়ায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতরা জানায়, বাড়ির জমি নিয়ে দক্ষিণ বর্নি গ্রামের রানা মুন্সির সাথে চাচাতো ভাই ওবায়েদ মুন্সির মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার বিকেলে ওই জমিতে ইটের দেয়াল তোলার কাজ করছিল রানা মুন্সীর লোকজন। তখন ওবায়েদ মুন্সী ও তার লোকজন বাধা দিলে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওবায়দুল মুন্সীর নেতৃত্বে ২০ থেকে ৩০ জন লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রানা মুন্সীর বাড়িতে হামলা করে।
প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে গর্ভবতী নারীসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়। গুরুতর আহত ৬ জন গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল চিকিৎসাধীন রয়েছে। বাকিরা টুঙ্গিপাড়া হাসপাতাল ও গ্রাম্য চিকিৎসকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
চিকিৎসাধীন গর্ভবতী নারী মেঘলা আক্তার বলেন, আমার প্রবাসী স্বামী রানা মুন্সীর সঙ্গে ওবায়দুল মুন্সীর জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এর জের ধরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওবায়দুল মুন্সীর নেতৃত্বে ২০ থেকে ৩০ জন লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা করে। তখন ঠেকাতে গেলে আমি মারধরের শিকার হই। যদি আমার পেটের সন্তান নষ্ট হয়ে যায় তাহলে কী হবে! আমরা ওবায়দুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
এ ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত ওবায়দুল মুন্সীর মুঠোফোন যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি একজন কলেজের অধ্যাপক, বিএনপির সক্রিয় কর্মী, জজকোর্টের পিপি আমার আত্মীয়। আমার নেতৃত্বে মারামারি হয়েছে এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট কথা। প্রতিপক্ষ উল্টো আমাদের লোকজনকে মেরেছে ও বাড়িঘর লুটপাট করেছে।
টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি আইয়ুব আলী বলেন, দুপক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?