টেক্সটাইল সোর্সিং নিয়ে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ইন্টেক্স বাংলাদেশ
দেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতকে বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে আরও সংযুক্ত করতে আগামী ১৮ থেকে ২০ জুন রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত হবে ‘ইন্টেক্স বাংলাদেশ ২০২৬’। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক বি-টু-বি টেক্সটাইল সোর্সিং প্রদর্শনী হিসেবে পরিচিত এ আয়োজনকে ঘিরে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আয়োজকদের মতে, এবারের প্রদর্শনীতে ভারত, চীন, তাইওয়ান, জাপান, বাংলাদেশ, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, হংকং ও উজবেকিস্তানসহ ১২টির বেশি দেশ ও অঞ্চলের শতাধিক নির্মাতা ও সরবরাহকারী অংশ নেবেন। প্রদর্শনীতে প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম তন্তু, সুতা, কাপড়, ট্রিমস, অ্যাকসেসরিজ, রং, রাসায়নিক পণ্য, কমপ্লায়েন্স সেবা এবং টেকসই সাপ্লাই চেইন-সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্ভাবনী সমাধান তুলে ধরা হবে। বিশ্ববাজারে বর্তমানে তুলাভিত্তিক পণ্যের পাশাপাশি ম্যান-মেড ফাইবার (এমএমএফ), পারফরম্যান্স টেক্সটাইল, পুনর্ব্যবহারযোগ্য তন্তু এবং ট্রেসেবল সাপ্লাই চেইনের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। এ বাস্তবতায় বাংলাদেশি প্রস্তু
দেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতকে বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে আরও সংযুক্ত করতে আগামী ১৮ থেকে ২০ জুন রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত হবে ‘ইন্টেক্স বাংলাদেশ ২০২৬’। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক বি-টু-বি টেক্সটাইল সোর্সিং প্রদর্শনী হিসেবে পরিচিত এ আয়োজনকে ঘিরে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আয়োজকদের মতে, এবারের প্রদর্শনীতে ভারত, চীন, তাইওয়ান, জাপান, বাংলাদেশ, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, হংকং ও উজবেকিস্তানসহ ১২টির বেশি দেশ ও অঞ্চলের শতাধিক নির্মাতা ও সরবরাহকারী অংশ নেবেন।
প্রদর্শনীতে প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম তন্তু, সুতা, কাপড়, ট্রিমস, অ্যাকসেসরিজ, রং, রাসায়নিক পণ্য, কমপ্লায়েন্স সেবা এবং টেকসই সাপ্লাই চেইন-সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্ভাবনী সমাধান তুলে ধরা হবে।
বিশ্ববাজারে বর্তমানে তুলাভিত্তিক পণ্যের পাশাপাশি ম্যান-মেড ফাইবার (এমএমএফ), পারফরম্যান্স টেক্সটাইল, পুনর্ব্যবহারযোগ্য তন্তু এবং ট্রেসেবল সাপ্লাই চেইনের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। এ বাস্তবতায় বাংলাদেশি প্রস্তুতকারকদের সামনে নতুন প্রজন্মের উপকরণ ও প্রযুক্তি তুলে ধরাই এবারের আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।
প্রদর্শনীর প্রধান আকর্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ইনক্রেডিবল টেক্সটাইলস অব ইন্ডিয়া’ প্যাভিলিয়ন, যেখানে ৭৫টির বেশি ভারতীয় প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এছাড়া ‘চায়না ফ্যাশন টেক্সটাইলস’ প্যাভিলিয়নে চীনের ৭০টির বেশি প্রতিষ্ঠান এমএমএফ, টেকসই উপকরণ, পোশাক অ্যাকসেসরিজ ও উন্নত ফেব্রিক প্রযুক্তি প্রদর্শন করবে।
আয়োজকরা জানান, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জাপান, আর্জেন্টিনা, ভারত, ব্রাজিল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ২০টিরও বেশি দেশের ক্রেতারা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে ‘ইন্টারেক্টিভ বিজনেস ফোরাম (আইবিএফ)’ সেমিনার সিরিজ। ফ্যাশন বিজনেস জার্নালের সহযোগিতায় আয়োজিত এসব সেশনে টেকসইতা, সাপ্লাই চেইনের স্থিতিশীলতা, ট্রেসেবিলিটি এবং বৈশ্বিক বাজারের নতুন প্রবণতা নিয়ে আলোচনা করবেন শিল্পসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
এছাড়া ‘বি-টু-বি কানেক্ট’ ওয়ান-টু-ওয়ান ম্যাচমেকিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের সুযোগ থাকবে। এতে নতুন ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব ও দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে। অফিশিয়াল ট্রেসেবিলিটি পার্টনার হিসেবে কাজ করবে টেক্সটাইলজেনেসিস।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘ইন্টেক্স বাংলাদেশ বৈশ্বিক টেক্সটাইল সরবরাহকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে সংযুক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এটি সোর্সিং সক্ষমতা বৃদ্ধি ও নতুন সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।’
বাংলাদেশ গার্মেন্ট বায়িং হাউস অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিবিএ) সভাপতি মো. আব্দুল হামিদ বলেন, ‘বাংলাদেশ যখন বৈশ্বিক পোশাক সোর্সিং কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করছে, তখন ইন্টেক্স বাংলাদেশের মতো আয়োজন আন্তর্জাতিক ক্রেতা, সরবরাহকারী ও নির্মাতাদের এক প্ল্যাটফর্মে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’
আয়োজকদের মতে, আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ, আধুনিক শিল্প ভাবনা এবং বিস্তৃত নেটওয়ার্কিং সুবিধার সমন্বয়ে ইন্টেক্স বাংলাদেশ ২০২৬ দেশের পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক মিলনমেলায় পরিণত হবে।
ইএইচটি/এমএএইচ/
What's Your Reaction?