ট্রান্সফরমার ঠিক করতে গিয়ে টেকনিশিয়ানের মৃত্যু

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় ট্রান্সফরমারের ফিউজ লাগাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হেলাল উদ্দিন (৩৫) নামে এক টেকনিশিয়ানের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার লক্ষীপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত হেলাল উদ্দিন ফুলবাড়ীয়া বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রে টেকনিশিয়ান (হেলপার) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি উপজেলার ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের চৌদার গ্রামের আ. কদ্দুসের ছেলে। জানা যায়, হেলাল উদ্দিন মূলত দেওখোলা ইউনিয়নের বিদ্যুৎ লাইনের দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন। ঘটনার দিন দুপুরে তিনি ফুলবাড়ীয়া সদর এলাকায় আসেন দেখভালের জন্য। পথে লক্ষীপুর বাজারের একটি ট্রান্সফরমারের ফিউজ কেটে যাওয়ায় তাকে সেটি ঠিক করে দিতে অনুরোধ করা হয়। তিনি লাইন বন্ধ করিয়ে ট্রান্সফরমারের ফিউজ লাগানোর কাজ শুরু করেন। এসময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় কয়েকজন ওয়ারিং মিস্ত্রি হঠাৎ দেখতে পান, হেলাল উদ্দিন ট্রান্সফরমারের সঙ্গে ঝুলে আছেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা প্রশ্ন তুল

ট্রান্সফরমার ঠিক করতে গিয়ে টেকনিশিয়ানের মৃত্যু

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় ট্রান্সফরমারের ফিউজ লাগাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হেলাল উদ্দিন (৩৫) নামে এক টেকনিশিয়ানের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার লক্ষীপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হেলাল উদ্দিন ফুলবাড়ীয়া বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রে টেকনিশিয়ান (হেলপার) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি উপজেলার ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের চৌদার গ্রামের আ. কদ্দুসের ছেলে।

জানা যায়, হেলাল উদ্দিন মূলত দেওখোলা ইউনিয়নের বিদ্যুৎ লাইনের দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন। ঘটনার দিন দুপুরে তিনি ফুলবাড়ীয়া সদর এলাকায় আসেন দেখভালের জন্য।

পথে লক্ষীপুর বাজারের একটি ট্রান্সফরমারের ফিউজ কেটে যাওয়ায় তাকে সেটি ঠিক করে দিতে অনুরোধ করা হয়। তিনি লাইন বন্ধ করিয়ে ট্রান্সফরমারের ফিউজ লাগানোর কাজ শুরু করেন।

এসময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় কয়েকজন ওয়ারিং মিস্ত্রি হঠাৎ দেখতে পান, হেলাল উদ্দিন ট্রান্সফরমারের সঙ্গে ঝুলে আছেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা প্রশ্ন তুলেছেন লাইন বন্ধ থাকা অবস্থায় কাজ চলাকালীন কীভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হলো?

তাদের দাবি, বিষয়টি রহস্যজনক। এটি অবহেলা নাকি পরিকল্পিত হত্যা— তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করতে হবে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দায়িত্বপ্রাপ্ত লাইনম্যানকে অবগত না করেই কেন বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হলো। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

এদিকে, আবাসিক প্রকৌশলী প্রশান্ত কুমার ধর বলেন, হেলাল উদ্দিন আমাদের বেসরকারি লাইনম্যান (হেলপার)। ফিউজ লাগানোর বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। সম্ভবত অফিসের অন্য কারো সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি কাজটি করছিলেন। ওই সময় লাইন বন্ধ ছিল। পল্লী বিদ্যুতের সঙ্গে আমাদের একটি ক্রস লাইন রয়েছে, সেখান থেকে শর্টসার্কিট হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow