ট্রান্সফরমারের অভাবে বন্ধ গ্রন্থাগারের এসি, ব্যাখ্যা দিলো রাবি প্রশাসন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার পর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রোববার (২৮ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক এস এম কামরুজ্জামান সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশেষ আর্থিক বরাদ্দের আওতায় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্র স্থাপনের পাশাপাশি টাইলস সংযোজন, পানির লাইন প্রতিস্থাপন, ওয়াশরুম সংস্কারসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এতে আরও বলা হয়, গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষগুলোতে স্থাপন করা ১০টি এয়ার কুলার সচল রাখতে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক লোড নিশ্চিত করার জন্য ৪০০ কেভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপনের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্রন্থাগার সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কাজ করছে প্রশাসন। তবে এ ধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হওয়ায় তা সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। কেএইচকে/এমএস

ট্রান্সফরমারের অভাবে বন্ধ গ্রন্থাগারের এসি, ব্যাখ্যা দিলো রাবি প্রশাসন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার পর এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রোববার (২৮ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক এস এম কামরুজ্জামান সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশেষ আর্থিক বরাদ্দের আওতায় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্র স্থাপনের পাশাপাশি টাইলস সংযোজন, পানির লাইন প্রতিস্থাপন, ওয়াশরুম সংস্কারসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষগুলোতে স্থাপন করা ১০টি এয়ার কুলার সচল রাখতে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক লোড নিশ্চিত করার জন্য ৪০০ কেভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপনের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্রন্থাগার সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কাজ করছে প্রশাসন। তবে এ ধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া হওয়ায় তা সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন।

কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow