ট্রাম্প এখন ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’ নীতিতে বিশ্বাসী : আলি লারিজানি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির পরিবর্তে ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’ নীতিতে বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের নিরাপত্তা কাঠামোর অন্যতম শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব আলি লারিজানি। সম্প্রতি নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় এমন মন্তব্য করেন তিনি। লারিজানি বলেন, ‘ট্রাম্প নিজের হেয়ালিপনার কারণে মধ্যপ্রাচ্যকে বিশৃঙ্খলার মধ্যে ফেলেছেন এবং মার্কিনিদেরও জীবনের ঝুঁকি তৈরি করেছেন।’ তিনি আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখন স্লোগানও পাল্টে ফেলেছেন। ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ স্লোগানের পরিবর্তে এখন ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’-ই যেন তার স্লোগান হয়ে ওঠেছে। এ সময় ইসরায়েলের জন্য মার্কিন সৈন্যদের জীবন দিতে হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন ইরানের এই শীর্ষ কর্মকর্তা। একই সঙ্গে ইরান আত্মরক্ষা চালিয়ে যাবে বলেও নিজেদের দৃঢ়তা প্রকাশ করেন তিনি। উল্লেখ্য, প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং সামরিক শক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আধিপত্য তাদের দ্রুত ও নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম করেছে। কিন্তু ইরানের জটিল সামাজিক-রাজনৈতিক কাঠামো, দীর্ঘদিনের মতাদর্শিক ভিত্তি এবং আঞ্চলিক প্রভাববলয় এসবকে কেবল শীর্ষ নেতৃত্ব সরিয়ে দিয়ে বদলানো
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির পরিবর্তে ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’ নীতিতে বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের নিরাপত্তা কাঠামোর অন্যতম শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব আলি লারিজানি। সম্প্রতি নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।
লারিজানি বলেন, ‘ট্রাম্প নিজের হেয়ালিপনার কারণে মধ্যপ্রাচ্যকে বিশৃঙ্খলার মধ্যে ফেলেছেন এবং মার্কিনিদেরও জীবনের ঝুঁকি তৈরি করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এখন স্লোগানও পাল্টে ফেলেছেন। ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ স্লোগানের পরিবর্তে এখন ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’-ই যেন তার স্লোগান হয়ে ওঠেছে।
এ সময় ইসরায়েলের জন্য মার্কিন সৈন্যদের জীবন দিতে হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন ইরানের এই শীর্ষ কর্মকর্তা। একই সঙ্গে ইরান আত্মরক্ষা চালিয়ে যাবে বলেও নিজেদের দৃঢ়তা প্রকাশ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং সামরিক শক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আধিপত্য তাদের দ্রুত ও নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম করেছে। কিন্তু ইরানের জটিল সামাজিক-রাজনৈতিক কাঠামো, দীর্ঘদিনের মতাদর্শিক ভিত্তি এবং আঞ্চলিক প্রভাববলয় এসবকে কেবল শীর্ষ নেতৃত্ব সরিয়ে দিয়ে বদলানো সম্ভব নয়।
অর্ধশতাব্দী ধরে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইরান এক কৌশলগত ‘প্রতিবন্ধক’। খামেনির অপসারণ সেই কাঁটা তুলে ফেলেছে, নাকি আরও গভীরে প্রবেশ করিয়েছে, তা এখনই বলা কঠিন।
একটি বিষয় স্পষ্ট— ক্ষমতার শূন্যতা সৃষ্টি করা সহজ, কিন্তু সেই শূন্যতা কে এবং কীভাবে পূরণ করবে, তার ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের আগামী অধ্যায়।
What's Your Reaction?