ট্রাম্পের পরিকল্পনা এখনো ঘোষণাতেই সীমাবদ্ধ: ইউরি কোকভ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা সংকট সমাধানের পরিকল্পনা এখনো ঘোষণাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। এর বাস্তবায়নে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বুধবার (১ এপ্রিল) এমন মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উপ-সচিব ইউরি কোকভ। রুশ সংবাদমাধ্যম ‘রোসিস্কায়া গাজেতা’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কোকভ বলেন, গাজা পরিস্থিতি সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র যে পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে, তা এখনও কেবল একটি ঘোষণা। এটি বাস্তবায়নে কোনো বাস্তব পদক্ষেপ দেখা যায়নি। তিনি আরও বলেন, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা উপত্যকায় সংঘাত নতুন করে শুরু হলে মার্কিন-ইসরায়েলি জনগণ হামাসের সহিংস কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানালেও রাশিয়া সামরিক সমাধানের পরিবর্তে কূটনৈতিক পথে সংকট নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল। কোকভের অভিযোগ, পশ্চিমা বিশ্ব প্রভাব ও লাভের প্রশ্নে প্রায়ই আইনকেও উপেক্ষা করে। তার ভাষায়, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে আগ্রহী পক্ষগুলো এই ঘটনাকে একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং তথাকথিত প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি দাবি করেন, এর ফলে গাজা উপত্যকায় পুরো শহর ধ্বংস হয়ে গেছে, হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং লাখো মানুষ বা

ট্রাম্পের পরিকল্পনা এখনো ঘোষণাতেই সীমাবদ্ধ: ইউরি কোকভ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা সংকট সমাধানের পরিকল্পনা এখনো ঘোষণাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। এর বাস্তবায়নে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বুধবার (১ এপ্রিল) এমন মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উপ-সচিব ইউরি কোকভ।

রুশ সংবাদমাধ্যম ‘রোসিস্কায়া গাজেতা’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কোকভ বলেন, গাজা পরিস্থিতি সমাধানে যুক্তরাষ্ট্র যে পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে, তা এখনও কেবল একটি ঘোষণা। এটি বাস্তবায়নে কোনো বাস্তব পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

তিনি আরও বলেন, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা উপত্যকায় সংঘাত নতুন করে শুরু হলে মার্কিন-ইসরায়েলি জনগণ হামাসের সহিংস কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানালেও রাশিয়া সামরিক সমাধানের পরিবর্তে কূটনৈতিক পথে সংকট নিরসনের আহ্বান জানিয়েছিল।

কোকভের অভিযোগ, পশ্চিমা বিশ্ব প্রভাব ও লাভের প্রশ্নে প্রায়ই আইনকেও উপেক্ষা করে। তার ভাষায়, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে আগ্রহী পক্ষগুলো এই ঘটনাকে একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং তথাকথিত প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।

তিনি দাবি করেন, এর ফলে গাজা উপত্যকায় পুরো শহর ধ্বংস হয়ে গেছে, হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। কোকভ আরও বলেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই ন্যায্যতা পায় না এবং এর সঙ্গে ন্যায়বিচারের কোনো সম্পর্ক নেই।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় গাজায় অন্তত ৭২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে যাদের মধ্যে ১৮ হাজারের বেশি শিশু। এছাড়া দখলদার বাহিনীর হামলা আরও ১ লাখ ৭২ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছে।

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow