ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্কের বিরুদ্ধে রায় দিলেন আদালত
মার্কিন বাণিজ্য আদালত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বশেষ ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন। ১৯৭০-এর দশকের একটি বাণিজ্য আইনের আওতায় সব দেশের ওপর একযোগে এই শুল্ক আরোপের যৌক্তিকতা প্রমাণিত হয়নি বলে জানিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৭ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড বৃহস্পতিবার ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে রায় দেয়। এসব প্রতিষ্ঠান ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুল্ক কার্যকর হয়েছিল। তিনজন বিচারকের বেঞ্চে ২-১ ভোটে রায় ঘোষণা করা হয়। তবে ছোট ব্যবসাগুলোকে এখনই বিজয়ী ঘোষণা করা সময়ের আগে হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন এক বিচারক। ছোট ব্যবসাগুলোর দাবি ছিল, নতুন শুল্ক আরোপের মাধ্যমে ট্রাম্প মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের একটি ঐতিহাসিক রায় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। ওই রায়ে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের ২০২৫ সালের শুল্কব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল। শুল্কটি ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্টের আওতায় আরোপ করা হয়েছিল। ফেব্রুয়ারির নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প ১৯
মার্কিন বাণিজ্য আদালত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বশেষ ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন। ১৯৭০-এর দশকের একটি বাণিজ্য আইনের আওতায় সব দেশের ওপর একযোগে এই শুল্ক আরোপের যৌক্তিকতা প্রমাণিত হয়নি বলে জানিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড বৃহস্পতিবার ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে রায় দেয়। এসব প্রতিষ্ঠান ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুল্ক কার্যকর হয়েছিল। তিনজন বিচারকের বেঞ্চে ২-১ ভোটে রায় ঘোষণা করা হয়। তবে ছোট ব্যবসাগুলোকে এখনই বিজয়ী ঘোষণা করা সময়ের আগে হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন এক বিচারক।
ছোট ব্যবসাগুলোর দাবি ছিল, নতুন শুল্ক আরোপের মাধ্যমে ট্রাম্প মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের একটি ঐতিহাসিক রায় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। ওই রায়ে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের ২০২৫ সালের শুল্কব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল। শুল্কটি ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্টের আওতায় আরোপ করা হয়েছিল।
ফেব্রুয়ারির নির্বাহী আদেশে ট্রাম্প ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ১২২ নম্বর ধারা প্রয়োগ করেন। এই ধারা অনুযায়ী, গুরুতর ‘ব্যালান্স অব পেমেন্টস’ ঘাটতি মোকাবিলা বা ডলারের আসন্ন অবমূল্যায়ন ঠেকাতে সর্বোচ্চ ১৫০ দিনের জন্য শুল্ক আরোপ করা যায়। তবে বৃহস্পতিবারের রায়ে আদালত জানিয়েছেন, ট্রাম্প যে ধরনের বাণিজ্য ঘাটতির কথা উল্লেখ করেছেন, তার জন্য এই আইন প্রয়োগ উপযুক্ত ছিল না।
খেলনা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বেসিক ফানের প্রধান নির্বাহী জে ফোরম্যান বলেন, এই রায় বিশ্বব্যাপী উৎপাদনব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিজয়। বেআইনি শুল্ক আমাদের মতো ব্যবসার প্রতিযোগিতা ও প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করে।
তিনি বলেন, আদালত স্বীকার করেছেন যে এই শুল্ক প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে। বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত কোম্পানিগুলোর জন্য এই রায় প্রয়োজনীয় স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা এনে দেবে।
What's Your Reaction?