স্কুল ফিডিংয়ে শিক্ষার্থীদের কাঁচা কলা খাওয়ানো সেই শিক্ষিকা বরখাস্ত
ফরিদপুর সদরের ৯৩ নম্বর শহীদ সালাহ উদ্দীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে টিফিনে খাওয়ার অনুপযোগী কাঁচা কলা বিতরণের অভিযোগে সহকারী শিক্ষক গোলাপী বেগমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মহিউদ্দীন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়। অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বরখাস্ত হওয়া ওই শিক্ষক গত ২৫ এপ্রিল স্কুল ফিডিংয়ের খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে খাওয়ার অনুপযোগী কাঁচা কলা গ্রহণ করেন এবং পরদিন তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় এবং প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। এছাড়া এ বিষয়টি আমাদের কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এরপরই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আরও বলা হয়েছে, এ ঘটনায় তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী অসদাচরণের দায়ে অভিযুক্ত করে ২৮ এপ্রিল থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন। ফরিদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দীন বলেন, স্কুল ফিডিংয়ের খাবার সরব
ফরিদপুর সদরের ৯৩ নম্বর শহীদ সালাহ উদ্দীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে টিফিনে খাওয়ার অনুপযোগী কাঁচা কলা বিতরণের অভিযোগে সহকারী শিক্ষক গোলাপী বেগমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মহিউদ্দীন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বরখাস্ত হওয়া ওই শিক্ষক গত ২৫ এপ্রিল স্কুল ফিডিংয়ের খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে খাওয়ার অনুপযোগী কাঁচা কলা গ্রহণ করেন এবং পরদিন তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় এবং প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। এছাড়া এ বিষয়টি আমাদের কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এরপরই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
আরও বলা হয়েছে, এ ঘটনায় তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী অসদাচরণের দায়ে অভিযুক্ত করে ২৮ এপ্রিল থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন তিনি বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন।
ফরিদপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দীন বলেন, স্কুল ফিডিংয়ের খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের এমন মানহীন খাবার সরবরাহ বিষয়টি আমরা অধিদপ্তরে লিখিতভাবে জানিয়েছি। তার বিষয়ে অধিদপ্তর থেকে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?