ট্রাম্পের সহায়তায় ৪ দশক পর চাঙ্গা হচ্ছে জাপানি ইয়েন

টোকিও এবং ওয়াশিংটনের যৌথ হস্তক্ষেপে ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের মান গত তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) ১ মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১৫৫ ইয়েন পাওয়া গেছে, যা গত মে মাসের শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ। টোকিওর অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই দেশের সরকার ইয়েন ক্রয়ের মাধ্যমে মুদ্রাটির চাহিদা বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে ও প্রয়োজনে এর পরেও এমন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর আগে, গত সপ্তাহে ডলারের বিপরীতে ইয়েনের মান গত ৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন প্রায় ১৬৪ তে নেমে যাওয়ার পর যৌথ এই উদ্যোগ নেয় দুই দেশ। রোববার (২ আগস্ট) এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, দেশটির মুদ্রার মান ক্রমাগত কমছে। এ বিষয়ে আমার কাছে সাহায্য চেয়েছিল। আমরা সবসময় জাপানের পাশে আছি। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, প্রয়োজনে হলে পরবর্তী সময়ে আরও যৌথ হস্তক্ষেপ নিতেও দ্বিধাবোধ করবে না ওয়াশিংটন। একইসঙ্গে তিনি জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদহার আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান। শনিবার (১ আগস্ট) ক্যাবিনেট বৈঠক চলাকালে বেসেন্টের নোটবুকের একটি ছবিতে দেখা যায়, তার তালিকায় ৫ থেকে ১০ বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০০ থেকে ১০০০ কোটি ডলার সমমূল্যের জাপ

ট্রাম্পের সহায়তায় ৪ দশক পর চাঙ্গা হচ্ছে জাপানি ইয়েন

টোকিও এবং ওয়াশিংটনের যৌথ হস্তক্ষেপে ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের মান গত তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) ১ মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১৫৫ ইয়েন পাওয়া গেছে, যা গত মে মাসের শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ।

টোকিওর অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই দেশের সরকার ইয়েন ক্রয়ের মাধ্যমে মুদ্রাটির চাহিদা বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে ও প্রয়োজনে এর পরেও এমন পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এর আগে, গত সপ্তাহে ডলারের বিপরীতে ইয়েনের মান গত ৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন প্রায় ১৬৪ তে নেমে যাওয়ার পর যৌথ এই উদ্যোগ নেয় দুই দেশ।

রোববার (২ আগস্ট) এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, দেশটির মুদ্রার মান ক্রমাগত কমছে। এ বিষয়ে আমার কাছে সাহায্য চেয়েছিল। আমরা সবসময় জাপানের পাশে আছি।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, প্রয়োজনে হলে পরবর্তী সময়ে আরও যৌথ হস্তক্ষেপ নিতেও দ্বিধাবোধ করবে না ওয়াশিংটন। একইসঙ্গে তিনি জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদহার আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান।

শনিবার (১ আগস্ট) ক্যাবিনেট বৈঠক চলাকালে বেসেন্টের নোটবুকের একটি ছবিতে দেখা যায়, তার তালিকায় ৫ থেকে ১০ বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০০ থেকে ১০০০ কোটি ডলার সমমূল্যের জাপানি ইয়েন ক্রয়ের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় মুদ্রাকে শক্তিশালী করতে শুক্রবার (৩১ জুলাই) ইয়েন ক্রয়ে প্রায় ৩৬ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে টোকিও।

মূলত, অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় জাপানে সুদহার কম থাকায় বিনিয়োগকারীরা স্বল্প সুদে ইয়েন ঋণ নিয়ে অধিক মুনাফায় ডলার বিনিয়োগ করছিলেন। এতে করে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইয়েনের দরপতন ঘটে।

এছাড়া, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগও ইয়েনের দরপতনের আরেকটি কারণ বলে অনেকে মনে করেন। কারণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে নতুন কর ও ব্যয় নীতি চালুর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তিনি।

একইসঙ্গে ব্যাংক অব জাপানের সুদের হার বাড়ানো হলে দেশের ঋণের খরচও আরও বেড়ে যায়। এসময় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করেছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow