ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে ৫ দেশের ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা

আগামী ফিফা বিশ্বকাপ শুরুর আর ৮০ দিনেরও কম সময় বাকি থাকলেও কূটনৈতিক উত্তেজনা এখনো চরমে। বিশ্বকাপ সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া নতুন ভিসা নীতি ফুটবল বিশ্বে নতুন করে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এতে বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া কয়েকটি দেশের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের অংশগ্রহণ এখন প্রশ্নের মুখে। এএস স্পোর্টস ও দ্য অ্যাথলেটিক-এর প্রতিবেদনে এই উদ্বেগের চিত্র উঠে এসেছে। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী আগামী ২ এপ্রিল থেকে একটি হালনাগাদ তালিকা কার্যকর হবে, যেখানে নির্দিষ্ট ৫০টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য বি১/বি২ ভিসার আবেদনের বিপরীতে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বড় অঙ্কের জামানত বা ‘ভিসা বন্ড’ জমা দিতে হবে। উদ্বেগের বিষয় হলো, বিশ্বকাপে উত্তীর্ণ হওয়া ৫ দেশ— আলজেরিয়া, কেপ ভার্দে, সেনেগাল, আইভরি কোস্ট ও তিউনিসিয়া এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, বাধ্যতামূলক ভিসা সাক্ষাৎকারের পর আবেদনকারী ভেদে এই জামানতের নির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। বিপুল অঙ্কের এই আর্থিক বাধ্যবাধকতা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সমর্থকদের

ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে ৫ দেশের ফুটবল বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা

আগামী ফিফা বিশ্বকাপ শুরুর আর ৮০ দিনেরও কম সময় বাকি থাকলেও কূটনৈতিক উত্তেজনা এখনো চরমে। বিশ্বকাপ সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া নতুন ভিসা নীতি ফুটবল বিশ্বে নতুন করে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

এতে বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া কয়েকটি দেশের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের অংশগ্রহণ এখন প্রশ্নের মুখে। এএস স্পোর্টস ও দ্য অ্যাথলেটিক-এর প্রতিবেদনে এই উদ্বেগের চিত্র উঠে এসেছে।

নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী আগামী ২ এপ্রিল থেকে একটি হালনাগাদ তালিকা কার্যকর হবে, যেখানে নির্দিষ্ট ৫০টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য বি১/বি২ ভিসার আবেদনের বিপরীতে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বড় অঙ্কের জামানত বা ‘ভিসা বন্ড’ জমা দিতে হবে।

উদ্বেগের বিষয় হলো, বিশ্বকাপে উত্তীর্ণ হওয়া ৫ দেশ— আলজেরিয়া, কেপ ভার্দে, সেনেগাল, আইভরি কোস্ট ও তিউনিসিয়া এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, বাধ্যতামূলক ভিসা সাক্ষাৎকারের পর আবেদনকারী ভেদে এই জামানতের নির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।

বিপুল অঙ্কের এই আর্থিক বাধ্যবাধকতা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সমর্থকদের মধ্যে তীব্র দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে।

যদিও দ্য অ্যাথলেটিক-এর সূত্রমতে, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও ফিফার মধ্যে আলোচনা চলছে, যেন এই পাঁচ দেশের জাতীয় দলের খেলোয়াড় ও অফিশিয়াল প্রতিনিধিদের জন্য বন্ডের প্রয়োজনীয়তা শিথিল বা মওকুফ করা যায়। তবে এই সম্ভাব্য ছাড়ের আওতায় খেলোয়াড়দের পরিবারের সদস্যরা থাকছেন না, যা দলগুলোর মানসিক প্রস্তুতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

ট্রাম্প প্রশাসনের এই কঠোর নীতির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে কারণ সেনেগাল ও আইভরি কোস্টের মতো দেশগুলো আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে নানাবিধ বাধার সম্মুখীন ছিল।

আগে কেবল বিশেষ এবং ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে তাদের ভিসা দেওয়া হতো। এখন নতুন করে এই আর্থিক শর্ত যুক্ত হওয়ায় তাদের জন্য বিশ্বকাপের মঞ্চে পৌঁছানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। টুর্নামেন্টের আগ মুহূর্তে এই ভিসা বন্ড নীতি ফুটবলার ও ভক্তদের জন্য এক অনাকাঙ্ক্ষিত প্রতিবন্ধকতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow