ট্রেনে কাটা পড়েন মা, ছিটকে পড়ে মারা গেল শিশুও

নড়াইলে ট্রেনের নিচে পড়ে পলি বেগম নামে এক নারী মারা গেছেন। এ সময় তার কোল থেকে ছিটকে পড়ে মারা গেছে দেড় বছরবয়সী শিশু ছেলে ফুরকান।   শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে নড়াইল সদর উপজেলার বরাশুলা এলাকায় ঢাকা-বেনাপোল রেললাইনের চিত্রা রেল সেতু এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।  মৃতদরে বাড়ি নড়াইল সদর উপজেলার মুলদাইড় গ্রামে। পলি বেগম ওই গ্রামের নূর ইসলাম ভূঁইয়ার স্ত্রী। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার দুপুরের দিকে ঢাকা-বেনাপোল রেললাইনের ওপর দিয়ে হেঁটে মূলদাইড়ের দিক থেকে নড়াইল শহরের দিকে যাচ্ছিলেন পলি বেগম। এ সময় তার কোলে ছিল শিশু ছেলে ফুরকান। শহরের কাছাকাছি বরাশুলা এলাকায় পৌঁছে রেললাইনে দাঁড়িয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এরপর সামনের দিকে আগান।  কিছু সময় পর ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বেনাপোলগামী রুপসী বাংলা ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন পলি। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। কোলে থাকা শিশু ফুরকান ছিটকে গিয়ে পড়ে রেললাইনের পাশে। তখন স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে আশংকাজনক অবস্থায় ওই শিশুকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে জেলা পুলিশের একটি টিম গিয়ে মৃত নারীর লাশটি রেললাইন থেকে ন

ট্রেনে কাটা পড়েন মা, ছিটকে পড়ে মারা গেল শিশুও
নড়াইলে ট্রেনের নিচে পড়ে পলি বেগম নামে এক নারী মারা গেছেন। এ সময় তার কোল থেকে ছিটকে পড়ে মারা গেছে দেড় বছরবয়সী শিশু ছেলে ফুরকান।   শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে নড়াইল সদর উপজেলার বরাশুলা এলাকায় ঢাকা-বেনাপোল রেললাইনের চিত্রা রেল সেতু এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।  মৃতদরে বাড়ি নড়াইল সদর উপজেলার মুলদাইড় গ্রামে। পলি বেগম ওই গ্রামের নূর ইসলাম ভূঁইয়ার স্ত্রী। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার দুপুরের দিকে ঢাকা-বেনাপোল রেললাইনের ওপর দিয়ে হেঁটে মূলদাইড়ের দিক থেকে নড়াইল শহরের দিকে যাচ্ছিলেন পলি বেগম। এ সময় তার কোলে ছিল শিশু ছেলে ফুরকান। শহরের কাছাকাছি বরাশুলা এলাকায় পৌঁছে রেললাইনে দাঁড়িয়ে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এরপর সামনের দিকে আগান।  কিছু সময় পর ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বেনাপোলগামী রুপসী বাংলা ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন পলি। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। কোলে থাকা শিশু ফুরকান ছিটকে গিয়ে পড়ে রেললাইনের পাশে। তখন স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে আশংকাজনক অবস্থায় ওই শিশুকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে জেলা পুলিশের একটি টিম গিয়ে মৃত নারীর লাশটি রেললাইন থেকে নিচে নামিয়ে রাখে। নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কামরুজ্জামান বলেন, এখানে এসে স্থানীয়দের কাছ থেকে আমরা জানেছি, ট্রেন আসার ১০ থেকে ১৫ মিনিট আগে স্থানীয়রা ওই নারীকে রেললাইনে হাঁটতে দেখে। তাকে রেললাইনে হাঁটতে নিষেধও করে। এরপর যখন ট্রেন আসে তখন হঠাৎ করে ওই নারী ট্রেনের সামনে দাঁড়িয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে তিনি মারা যান। তার বাচ্চাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow