ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত চারজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত প্রায় ১০টার দিকে উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের চন্দনচহট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহত চারজন হলেন— বিএনপি নেতা মো. আরিফুল ইসলাম, মো. ফারুক, মো. রুবেল এবং জামায়াত নেতা মো. আক্তার হোসেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে চন্দনচহট গ্রামে স্থানীয় যুবদল নেতৃবৃন্দ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ এবং এ সময় জামায়াত সমর্থিত সংসদ সদস্যদের কক্ষ ত্যাগের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা করছিলেন। এ সময় নেকমরদ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. আক্তার হোসেন ওই আলোচনা নিয়ে আপত্তি জানান। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আক্তার হোসেন তার সমর্থকদের খবর দেন। পরে দুই পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হলে কথ
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত চারজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত প্রায় ১০টার দিকে উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের চন্দনচহট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে আহত চারজন হলেন— বিএনপি নেতা মো. আরিফুল ইসলাম, মো. ফারুক, মো. রুবেল এবং জামায়াত নেতা মো. আক্তার হোসেন। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে চন্দনচহট গ্রামে স্থানীয় যুবদল নেতৃবৃন্দ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ এবং এ সময় জামায়াত সমর্থিত সংসদ সদস্যদের কক্ষ ত্যাগের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা করছিলেন। এ সময় নেকমরদ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. আক্তার হোসেন ওই আলোচনা নিয়ে আপত্তি জানান।
একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে আক্তার হোসেন তার সমর্থকদের খবর দেন। পরে দুই পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হলে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই থানায় লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
What's Your Reaction?