ঠাকুরগাঁওয়ের বড় মাঠে পাওয়া গেল এসএসসি পরীক্ষার খাতার বান্ডেল

ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠ থেকে এসএসসি পরীক্ষার ৫০টি খাতা উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে এক যুবক মাঠের পাশে রাস্তায় পড়ে থাকা খাতাগুলো দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে সেগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ এসব খাতা মাঠে এল, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে রহস্য। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বড় মাঠ পশ্চিম পাশে রাস্তায় ঘোরাঘুরির সময় এক যুবকের নজরে আসে বেশ কিছু খাতা। পরে কাছে গিয়ে তিনি বুঝতে পারেন, সেগুলো এসএসসি পরীক্ষার খাতা হতে পারে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তিনি দ্রুত পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খাতাগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ঠাকুরগাঁও জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. খোদাদাদ হোসেন বলেন, রাতে ঠাকুরগাঁও জেলা স্কুল বড় মাঠের পশ্চিম পাশে রাস্তা থেকে একজন ব্যক্তি প্রায় ৫০টি খাতা কুড়িয়ে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে আমরা সেগুলো উদ্ধার করি। বর্তমানে খাতাগুলো থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এর মালিককে শনাক্ত করা যায়নি। মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। এরইমধ্যে শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হ

ঠাকুরগাঁওয়ের বড় মাঠে পাওয়া গেল এসএসসি পরীক্ষার খাতার বান্ডেল

ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠ থেকে এসএসসি পরীক্ষার ৫০টি খাতা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে এক যুবক মাঠের পাশে রাস্তায় পড়ে থাকা খাতাগুলো দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে সেগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ এসব খাতা মাঠে এল, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে রহস্য।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বড় মাঠ পশ্চিম পাশে রাস্তায় ঘোরাঘুরির সময় এক যুবকের নজরে আসে বেশ কিছু খাতা। পরে কাছে গিয়ে তিনি বুঝতে পারেন, সেগুলো এসএসসি পরীক্ষার খাতা হতে পারে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তিনি দ্রুত পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খাতাগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

ঠাকুরগাঁও জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. খোদাদাদ হোসেন বলেন, রাতে ঠাকুরগাঁও জেলা স্কুল বড় মাঠের পশ্চিম পাশে রাস্তা থেকে একজন ব্যক্তি প্রায় ৫০টি খাতা কুড়িয়ে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে আমরা সেগুলো উদ্ধার করি। বর্তমানে খাতাগুলো থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এর মালিককে শনাক্ত করা যায়নি। মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। এরইমধ্যে শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow