ড. ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকা কর মওকুফের খবর ভুয়া: আইনজীবী

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফ বা মামলা তুলে নেওয়ার খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি জানিয়েছেন, গ্রামীণ কল্যাণের করসংক্রান্ত মামলাটি এখনো হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) হাইকোর্টে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন।  তিনি জানান, দুটি রিট এখনো বিচারাধীন। যার মধ্যে ২০২৪ সালের আগস্টে একটি বেঞ্চ সরকারের পক্ষে রায় দিলেও পরে সেই আদেশ প্রত্যাহার (রিকল) করা হয়। বর্তমানে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে মামলাগুলোর শুনানি চলছে এবং শিগগিরই শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। তাই মামলাটি প্রত্যাহার করা হয়েছে এমন প্রচারণা সঠিক নয়। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং আমরাই শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করেছি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, মামলাটিকে ‘ট্যাক্স ফাঁকির মামলা’ হিসেবে উপস্থাপন করায় দেশে-বিদেশে ভুল বার্তা গেছে। তার ভাষ্য, গ্রামীণ কল্যাণ কর ফাঁকি দেয়নি; বরং উৎসে কর পরিশোধের পর একই আয়ের ওপর দ্বিতীয়বার কর আরোপের বৈধতা নিয়েই আদালতে প্রশ্ন ত

ড. ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকা কর মওকুফের খবর ভুয়া: আইনজীবী
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফ বা মামলা তুলে নেওয়ার খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি জানিয়েছেন, গ্রামীণ কল্যাণের করসংক্রান্ত মামলাটি এখনো হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) হাইকোর্টে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন।  তিনি জানান, দুটি রিট এখনো বিচারাধীন। যার মধ্যে ২০২৪ সালের আগস্টে একটি বেঞ্চ সরকারের পক্ষে রায় দিলেও পরে সেই আদেশ প্রত্যাহার (রিকল) করা হয়। বর্তমানে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে মামলাগুলোর শুনানি চলছে এবং শিগগিরই শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। তাই মামলাটি প্রত্যাহার করা হয়েছে এমন প্রচারণা সঠিক নয়। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং আমরাই শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করেছি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, মামলাটিকে ‘ট্যাক্স ফাঁকির মামলা’ হিসেবে উপস্থাপন করায় দেশে-বিদেশে ভুল বার্তা গেছে। তার ভাষ্য, গ্রামীণ কল্যাণ কর ফাঁকি দেয়নি; বরং উৎসে কর পরিশোধের পর একই আয়ের ওপর দ্বিতীয়বার কর আরোপের বৈধতা নিয়েই আদালতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তিনি বলেন, যদি গ্রামীণ কল্যাণকে পুনরায় কর পরিশোধ করতে হয়, তাহলে একই বিনিয়োগের মাধ্যমে কর পরিশোধকারী গ্রামীণ টেলিকমের করসংক্রান্ত বিষয়ও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। অথচ সেই বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনা হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও জানান, ড. ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যোগ দেওয়ার পরই গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। এসব প্রতিষ্ঠান কোম্পানি আইনের ২৮ ধারায় পরিচালিত অলাভজনক সংস্থা, যার কোনো ব্যক্তিমালিকানা নেই। তাই কর ফাঁকি বা মওকুফের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরগুলো সম্পূর্ণ গুজব ও বিভ্রান্তিকর।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow