ডব্লিউটিওর সক্ষমতা কমলে বাংলাদেশের ন্যায়বিচার পাওয়া কঠিন হতে পারে

1 day ago 3

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) প্রাসঙ্গিকতা তথা সক্ষমতা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে উল্লেখ করে সংস্থাটি ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যযুদ্ধের মুখোমুখি হতে অক্ষম বলে মন্তব্য করেছেন সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।

এ ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর পক্ষে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা ক্রমশ কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি এ-ও মনে করেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখার জন্য শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়, সব দেশের জন্য শুল্কহার সমন্বয় করা উচিত।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সানেম নির্বাহী পরিচালক এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন

অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান তার পোস্টে লেখেন, বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকরা যদি ট্রাম্পের পারস্পরিক শুল্কের আশপাশের পরিস্থিতিকে গুরুত্ব সহকারে নেন তবে আমাদের সামগ্রিক শুল্কের হার হ্রাস করা জরুরি। বিশেষত সম্পূরক শুল্ক এবং অন্য প্যারা ট্যারিফগুলো। প্রথমত, আমাদের প্যারা ট্যারিফ দীর্ঘদিন ধরে ডব্লিউটিওর নিয়মনীতির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং বাংলাদেশের শুল্কব্যবস্থা অত্যধিক সুরক্ষামূলক রয়েছে।

‘আমাদের বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখার জন্য শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়, সব দেশের জন্য একতরফাভাবে এ ধরনের সমন্বয় করা উচিত।’

তিনি বলেন, আজ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ বা পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছেন। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতসহ বিভিন্ন শিল্পের উদ্যোক্তারা।

আরও পড়ুন

ড. সেলিম রায়হান আরও লেখেন, যা হোক, আমি উদ্বিগ্ন যে ডব্লিউটিওর প্রাসঙ্গিকতা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। কারণ, এটি ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যযুদ্ধের মুখোমুখি হতে অক্ষম বলে মনে হচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর পক্ষে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

এসএম/এমকেআর/জেআইএম

Read Entire Article