ডলারকে আমি চিনি : রামিসার বাবা

ডলার নামে একজন আছেন, তাকে আমি চিনি বলে দাবি করেছেন রাজধানীর পল্লবীতে নিহত শিশু রামিসা আক্তারের বাবা হান্নান মোল্লা। গত শনিবার (৬ জুন) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই দাবি করেন। রামিসার বাবা বলেন, এই ডলার আমার মেয়ের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত না। আমি যতটা ধারণা করছি এবং যতটুকু জানতে পেরেছি- সে (সোহেল রানা) যখন জেলখানার ভেতরে ছিল, সেখানে আরও ১০ জনের সলাপরামর্শ করে আইনগত একটা সুবিধা বা আর্থিকগত সুবিধা পাওয়ার জন্য এটা তার একটা ছলচাতুরী। এছাড়া আমার কাছে আর অন্য কিছু মনে হয় না। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের সামনে যেহেতু দাঁড়িয়েছি; আমি একটা কথা বলবো- আমার রামিসা চলে গেছে; এটা হয়তোবা আল্লাহ-তায়ালার ইচ্ছা বা আমাদের সমাজ ব্যবস্থা। তারপরও প্রধানমন্ত্রী যে দ্রুততার সঙ্গে আমার রামিসার বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করার জন্য যে কথা দিয়েছিলেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। তিনি আরও বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী বারবার আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আমাদের স্বাস্থ্যগত এবং আইনগত যতদিকে যে সমস্যাগুলো আছে উনি আমাকে একেবারে আপন ভাইয়ের মতো আগলে রেখেছেন। যত আইনগত সলাপরামর্শ আছে- উনি আমাকে সাহায্য করছেন। সকলের প্রতি ধন্যবাদ

ডলারকে আমি চিনি : রামিসার বাবা
ডলার নামে একজন আছেন, তাকে আমি চিনি বলে দাবি করেছেন রাজধানীর পল্লবীতে নিহত শিশু রামিসা আক্তারের বাবা হান্নান মোল্লা। গত শনিবার (৬ জুন) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই দাবি করেন। রামিসার বাবা বলেন, এই ডলার আমার মেয়ের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত না। আমি যতটা ধারণা করছি এবং যতটুকু জানতে পেরেছি- সে (সোহেল রানা) যখন জেলখানার ভেতরে ছিল, সেখানে আরও ১০ জনের সলাপরামর্শ করে আইনগত একটা সুবিধা বা আর্থিকগত সুবিধা পাওয়ার জন্য এটা তার একটা ছলচাতুরী। এছাড়া আমার কাছে আর অন্য কিছু মনে হয় না। সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের সামনে যেহেতু দাঁড়িয়েছি; আমি একটা কথা বলবো- আমার রামিসা চলে গেছে; এটা হয়তোবা আল্লাহ-তায়ালার ইচ্ছা বা আমাদের সমাজ ব্যবস্থা। তারপরও প্রধানমন্ত্রী যে দ্রুততার সঙ্গে আমার রামিসার বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করার জন্য যে কথা দিয়েছিলেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। তিনি আরও বলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী বারবার আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আমাদের স্বাস্থ্যগত এবং আইনগত যতদিকে যে সমস্যাগুলো আছে উনি আমাকে একেবারে আপন ভাইয়ের মতো আগলে রেখেছেন। যত আইনগত সলাপরামর্শ আছে- উনি আমাকে সাহায্য করছেন। সকলের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে রামিসার বাবা বলেন, সর্বোপরি আমি ধন্যবাদ জানাই- বাংলাদেশের বিচারপতি যিনি আমার মেয়ের মামলাটিকে দেখছেন। উনি যে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। আমি অন্তঃস্থল থেকে উনাকেও ধন্যবাদ জানাই। তার পাশাপাশি সরকার নিয়োজিত যে উকিল আছেন তাকেও আমি ধন্যবাদ জানাই। এ বিচারটা দ্রুততার সঙ্গে এবং একটানা করবার জন্য বিচার বিভাগের সমস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আমার অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow