ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন সামনে রেখে ১০ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এ ইশতেহার ঘোষণা করেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান।
এসময় জিএস প্রার্থী তানভীর বারী হামিম, এজিএস প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ইশতেহারে ঘোষণাকালে আবিদুল ইসলাম বলেন, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য বহুল প্রতীক্ষিত ডাকসু নির্বাচন আমাদের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ এনে দিয়েছে।
- আরও পড়ুন
- মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রচারণা শুরু ছাত্রদলের
- শিক্ষার্থীদের অধিকারই আমার অঙ্গীকার: এ্যানি
তিনি বলেন, আমরা ১০টি মূল অঙ্গীকার সম্বলিত নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করছি, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা আরও যুগোপযোগী ও আধুনিক করে তুলবে। যা গড়ে তুলবে একটি নিরাপদ, শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস। আমরা বিশ্বাস করি, এই ১০টি প্রধান পরিকল্পনায় শিক্ষার্থীদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে এবং সবাই মিলে তা বাস্তবায়নে কাজ করবো, ইনশাআল্লাহ।
ছাত্রদলের ১০ দফা ইশতেহারে যা বলা হয়েছে-
১. শিক্ষা ও গবেষণা প্রাধান্য দিয়ে আধুনিক, আনন্দময়, বসবাসযোগ্য ও নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা।
২. নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস, নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি।
৩. শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য বীমা নিশ্চিত করা। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা গ্রহণ ও চলাচল সহজতর করা।
৪. কারিকুলাম, অবকাঠামো ও পরীক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং গবেষণার মানোন্নয়ন।
৫. পরিবহন ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ, ব্যাটারিচালিত শাটল সার্ভিস প্রচলন এবং যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করা।
৬. হয়রানিমুক্ত প্রশাসনিক সেবা, শিক্ষা ঋণ এবং ক্যাম্পাসভিত্তিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।
৭. তরুণদের গঠনমূলক কাজে সম্পৃক্ত করা এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি।
৮. শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল সুবিধা, সাইবার সিকিউরিটি এবং সাইবার বুলিং প্রতিরোধ।
৯. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন ও প্রাণীবান্ধব ক্যাম্পাস তৈরি করা।
১০. কার্যকর ডাকসু এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পৃক্ততা বাড়ানো ও একাডেমিক ক্যালেন্ডারে নিয়মিত ডাকসু নির্বাচন আন্তর্ভুক্ত করা।
এফএআর/কেএসআর/জিকেএস