ডাকসু নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চাকসুর বিক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকায় মিছিল শুরু হয়। তারপর সোহরাওয়ার্দী হল হয়ে আলাওল হলের সামনে দিয়ে প্রবেশ করে জিরো পয়েন্টে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এসময় তাদেরকে ‘ডাকসুতে হামলা কেন, সালাহউদ্দিন জবাব দে’, ‘লীগ গেছে যে পথে, দল যাবে সে পথে’, ‘সন্ত্রাসের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘মববাজদের কালোহাত, ভেঙে দাও-গুড়িয়ে দাও’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়। এসময় চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম রনি বলেন, ৫ আগস্টের পর আমরা ভেবেছিলাম সন্ত্রাসের রাজনীতি শেষ হবে। আজ আমাদের পড়ার টেবিলে থাকার কথা ছিল। কিন্তু তারা আবারও সন্ত্রাসের রাজনীতি শুরু করতে চায়। এর কারণ তাদের কোনো সাংগঠনিক ভিত্তি নেই। প্রধানমন্ত্রী শুধু সংসদেই নীরব নন, গণমাধ্যমকেও নীরব করতে চায়। তিনি আরও বলেন, অল্প সময়েই এ সরকার একটি ব্যর্থ সরকারে পরিণত হয়েছে, এটি এখন সবার কাছে স্পষ্ট। স্বৈরাচার বিদ্যুৎ দিয়ে মানুষ মারত, আর

ডাকসু নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে চাকসুর বিক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকায় মিছিল শুরু হয়। তারপর সোহরাওয়ার্দী হল হয়ে আলাওল হলের সামনে দিয়ে প্রবেশ করে জিরো পয়েন্টে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

এসময় তাদেরকে ‘ডাকসুতে হামলা কেন, সালাহউদ্দিন জবাব দে’, ‘লীগ গেছে যে পথে, দল যাবে সে পথে’, ‘সন্ত্রাসের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘মববাজদের কালোহাত, ভেঙে দাও-গুড়িয়ে দাও’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়।

এসময় চাকসুর ভিপি ইব্রাহীম রনি বলেন, ৫ আগস্টের পর আমরা ভেবেছিলাম সন্ত্রাসের রাজনীতি শেষ হবে। আজ আমাদের পড়ার টেবিলে থাকার কথা ছিল। কিন্তু তারা আবারও সন্ত্রাসের রাজনীতি শুরু করতে চায়। এর কারণ তাদের কোনো সাংগঠনিক ভিত্তি নেই। প্রধানমন্ত্রী শুধু সংসদেই নীরব নন, গণমাধ্যমকেও নীরব করতে চায়।

তিনি আরও বলেন, অল্প সময়েই এ সরকার একটি ব্যর্থ সরকারে পরিণত হয়েছে, এটি এখন সবার কাছে স্পষ্ট। স্বৈরাচার বিদ্যুৎ দিয়ে মানুষ মারত, আর আপনারা বিদ্যুৎ না দিয়েই মানুষ মারছেন। অথচ এসব নিয়ে কোনো জবাবদিহিতা নেই।

চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব বলেন, আটকে পড়া এক শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে গেলে ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর হামলা চালানো হয়, এমনকি সাংবাদিকদের ওপরও হামলা হয়। এর আগেও তারা কুয়েটে একই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত এনে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘর্ষের পরিবেশ তৈরি করে। সিটি কলেজের মিছিলেও তারা হামলা চালিয়েছে, এমনকি পায়ের রগ পর্যন্ত কেটে দিয়েছে।

মোস্তাফিজুর রহমান/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow