ডাকাতির ২০ বছর পর ১৩ ডাকাতের যাবজ্জীবন

মৌলভীবাজারে ডাকাতির ২০ বছর পর ১৩ ডাকাতের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (০৫ মে) মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক শামসাদ বেগম এই রায় ঘোষণা করেন। মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবী, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়ামুল হক বলেন, ১৩ আসামির বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। প্রত্যেককে আরও ২৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১ বছর করে সাজা প্রদানের আদেশ হয়েছে। মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মিলন মিয়া, রাহেল, দুলাল মিয়া, শাহেদ, সেলিম, সাতির ওরফে শাকিল, জুনাব আলী, কামাল, মকরম, নকুল ওরফে সুমন, খোকন, জাকারিয়া, জামাল। তাদের জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। রায় ঘোষণার সময় ৩ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণা পর সাজাপ্রাপ্তদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্য আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা গ্রামের বাসিন্দা মো. মারুফ আহমদের বসতঘরে বিগত ২০০৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ডাকাতি করতে যান আসামরিা। এ সময় বাদীর ঘরে থাকা এক মহিলাকে ধর্ষণ করেন আসামি

ডাকাতির ২০ বছর পর ১৩ ডাকাতের যাবজ্জীবন

মৌলভীবাজারে ডাকাতির ২০ বছর পর ১৩ ডাকাতের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (০৫ মে) মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক শামসাদ বেগম এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবী, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়ামুল হক বলেন, ১৩ আসামির বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। প্রত্যেককে আরও ২৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১ বছর করে সাজা প্রদানের আদেশ হয়েছে।

মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মিলন মিয়া, রাহেল, দুলাল মিয়া, শাহেদ, সেলিম, সাতির ওরফে শাকিল, জুনাব আলী, কামাল, মকরম, নকুল ওরফে সুমন, খোকন, জাকারিয়া, জামাল। তাদের জেলার বিভিন্ন উপজেলায়।

রায় ঘোষণার সময় ৩ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণা পর সাজাপ্রাপ্তদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্য আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা গ্রামের বাসিন্দা মো. মারুফ আহমদের বসতঘরে বিগত ২০০৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ডাকাতি করতে যান আসামরিা। এ সময় বাদীর ঘরে থাকা এক মহিলাকে ধর্ষণ করেন আসামিরা। এ ঘটনার পর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ ২০ বছর পরে মামলার রায় ঘোষণা করা হলো। 

মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবী, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়ামুল হক বলেন, মামলায় ধর্ষণসংক্রান্ত অভিযোগের জন্য আলাদা চার্জশিটের প্রেক্ষিতে নারী ও শিশু আদালতে আলাদা মামলা চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, এই রায় অবশ্যই একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে। ডাকাতি একটি ভয়াবহ ঘটনা যা সমাজ, পরিবার, শারীরিক, মানসিকভাবে প্রভাব ফেলে। রায় ঘোষণার মাধ্যমে বাদী ন্যায় বিচার পেয়েছেন। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow