ডাক্তারি পড়তে চাপ দেওয়ায় বোনের সামনেই বাবাকে টুকরো টুকরো করল ছেলে
ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখনৌতে পারিবারিক কলহের জেরে এক চাঞ্চল্যকর ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। চিকিৎসার বদলে অন্য পেশায় যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করায় নিজ বাবাকে গুলি করে হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করার অভিযোগ উঠেছে ২১ বছর বয়সী এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত যুবকের নাম অক্ষত প্রতাপ সিং, যাকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। খবর এনডিটিভির। নিহত মানবেন্দ্র সিং (৪৯) পেশায় একজন ফার্মেসি ও মদ ব্যবসায়ী ছিলেন। পুলিশি তদন্তে জানা যায়, গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি ড্রামের ভেতর থেকে দেহের খণ্ডিতাংশ উদ্ধার করে পুলিশ। জেরার মুখে অভিযুক্ত অক্ষত সিং তার বাবাকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। তদন্তকারীদের মতে, মানবেন্দ্র চেয়েছিলেন তার ছেলে বিকম ছেড়ে নিট পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে ডাক্তার হোক, কিন্তু ছেলে তাতে রাজি ছিলেন না। যা নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। ঘটনার দিন বিকেলে এ নিয়ে তর্কের এক পর্যায়ে অক্ষত তার বাবার লাইসেন্সকৃত রাইফেল দিয়ে তাকে গুলি করেন। এরপর মরদেহটি বাড়ির তিনতলার একটি খালি রুমে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খণ্ড-বিখণ্
ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখনৌতে পারিবারিক কলহের জেরে এক চাঞ্চল্যকর ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। চিকিৎসার বদলে অন্য পেশায় যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করায় নিজ বাবাকে গুলি করে হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করার অভিযোগ উঠেছে ২১ বছর বয়সী এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত যুবকের নাম অক্ষত প্রতাপ সিং, যাকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ। খবর এনডিটিভির।
নিহত মানবেন্দ্র সিং (৪৯) পেশায় একজন ফার্মেসি ও মদ ব্যবসায়ী ছিলেন। পুলিশি তদন্তে জানা যায়, গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি ড্রামের ভেতর থেকে দেহের খণ্ডিতাংশ উদ্ধার করে পুলিশ। জেরার মুখে অভিযুক্ত অক্ষত সিং তার বাবাকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।
তদন্তকারীদের মতে, মানবেন্দ্র চেয়েছিলেন তার ছেলে বিকম ছেড়ে নিট পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে ডাক্তার হোক, কিন্তু ছেলে তাতে রাজি ছিলেন না। যা নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। ঘটনার দিন বিকেলে এ নিয়ে তর্কের এক পর্যায়ে অক্ষত তার বাবার লাইসেন্সকৃত রাইফেল দিয়ে তাকে গুলি করেন। এরপর মরদেহটি বাড়ির তিনতলার একটি খালি রুমে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খণ্ড-বিখণ্ড করেন তিনি।
ভয়াবহ এই ঘটনাটি অক্ষতের বোন দেখে ফেললে তাকে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে রাখা হয়। এরপর বোনের সামনেই লাশের বাকি অংশগুলো টুকরো করেন অভিযুক্ত যুবক। শরীরের কিছু অংশ প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে বাড়ির পাশের একটি এলাকায় ফেলে দেওয়া হলেও বাকি অংশগুলো নীল রঙের ড্রামে ভরে বাড়ির ভেতরেই লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
লখনৌর আশিয়ানা এলাকার ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বিক্রান্ত বীর জানিয়েছেন, ফরেনসিক দল ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে। মরদেহের বাকি অংশগুলো উদ্ধারে তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
What's Your Reaction?