ডি-নথি চালু ও মনিটরিং সেল গঠনের নির্দেশ দিলেন জবি উপাচার্য

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রশাসনিক কার্যক্রমে ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে ডি-নথি (D-Nothi) ব্যবস্থা দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন। একই সঙ্গে এ কার্যক্রমের সার্বিক তদারকির জন্য একটি মনিটরিং সেল গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) উপাচার্যের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)-এ ডি-নথি বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় প্রশিক্ষণ-পরবর্তী করণীয়, ডি-নথি ব্যবস্থার কার্যকর বাস্তবায়নের কৌশল, কর্মপরিকল্পনা, দায়িত্ব বণ্টন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান দ্রুত প্রশাসনিক কাজে প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা বাস্তবে প্রয়োগ করতে না পারলে তার সুফল পাওয়া যাবে না। তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের সম্পৃক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডি-নথি কার্যক্রম

ডি-নথি চালু ও মনিটরিং সেল গঠনের নির্দেশ দিলেন জবি উপাচার্য
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রশাসনিক কার্যক্রমে ডিজিটাল রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে ডি-নথি (D-Nothi) ব্যবস্থা দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন। একই সঙ্গে এ কার্যক্রমের সার্বিক তদারকির জন্য একটি মনিটরিং সেল গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) উপাচার্যের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)-এ ডি-নথি বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় প্রশিক্ষণ-পরবর্তী করণীয়, ডি-নথি ব্যবস্থার কার্যকর বাস্তবায়নের কৌশল, কর্মপরিকল্পনা, দায়িত্ব বণ্টন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান দ্রুত প্রশাসনিক কাজে প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্‌দীন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা বাস্তবে প্রয়োগ করতে না পারলে তার সুফল পাওয়া যাবে না। তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের সম্পৃক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডি-নথি কার্যক্রম শুরু করতে হবে। নিয়মিত অনুশীলন ও ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলে এ ব্যবস্থার সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। ডি-নথি কার্যক্রমের সার্বিক তদারকি ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সজীব সাহার নেতৃত্বে একটি মনিটরিং সেল গঠনের ঘোষণা দেন উপাচার্য। এই সেল ডি-নথি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান করবে। এছাড়া ডি-নথি ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও কার্যকর করতে একটি বিস্তারিত ম্যানুয়াল বা গাইডলাইন প্রণয়ন করা হবে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে বিআইএমের সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আরও একটি ডি-নথি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর আগামী মাস থেকেই সীমিত পরিসরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ডি-নথি কার্যক্রম চালু করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রশাসনিক দপ্তরে সম্প্রসারণ করা হবে। মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম, সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সজীব সাহাসহ বিআইএমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ২৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ডি-নথি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow