ডিএনএ রহস্য উন্মোচনের পথিকৃৎ ক্রেইগ ভেন্টার মারা গেছেন

ডিএনএ রহস্য উন্মোচনে নেতৃত্ব দেওয়া খ্যাতনামা বিজ্ঞানী জে ক্রেইগ ভেন্টার ৭৯ বছর বয়সে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯৫ সালে প্রথমবারের মতো একটি ব্যাকটেরিয়ার পূর্ণ জিনোম ডিকোড উন্মোচনের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান ভেন্টার। এ সাফল্য জেনেটিক গবেষণায় নতুন যুগের সূচনা করে। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত তার কোম্পানি সেলেরা জেনোমিক্স দ্রুত জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য ‘হোল-জিনোম শটগান সিকোয়েন্স’ পদ্ধতি ব্যবহার করে আলোচনায় আসে। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বল্প সময়ে জিনোমের বিভিন্ন অংশ বিশ্লেষণ করে পরে তা একত্রিত করা সম্ভব হয়। এরপর মানব জিনোম উন্মোচনের ক্ষেত্রে ভেন্টারের নেতৃত্বাধীন দল প্রতিযোগিতায় নামে। ২০০৩ সালে প্রকল্পটি সম্পন্ন ঘোষণা করা হয়, যেখানে মানব জিনোমের প্রায় ৯২ শতাংশ উন্মোচন করা সম্ভব হয়েছিল।   ভেন্টার তার গবেষণায় নিজস্ব ডিএনএ নমুনাও ব্যবহার করেছিলেন, যা বিষয়টিকে আরও আলোচিত করে তোলে। তার কর্মজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাকে ন্যাশনাল মেডেল অব সায়েন্স প্রদান করেন। সহকর্মীরা তাকে একই সঙ্গে প্রভাব

ডিএনএ রহস্য উন্মোচনের পথিকৃৎ ক্রেইগ ভেন্টার মারা গেছেন

ডিএনএ রহস্য উন্মোচনে নেতৃত্ব দেওয়া খ্যাতনামা বিজ্ঞানী জে ক্রেইগ ভেন্টার ৭৯ বছর বয়সে মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯৫ সালে প্রথমবারের মতো একটি ব্যাকটেরিয়ার পূর্ণ জিনোম ডিকোড উন্মোচনের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান ভেন্টার। এ সাফল্য জেনেটিক গবেষণায় নতুন যুগের সূচনা করে।

১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত তার কোম্পানি সেলেরা জেনোমিক্স দ্রুত জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য ‘হোল-জিনোম শটগান সিকোয়েন্স’ পদ্ধতি ব্যবহার করে আলোচনায় আসে। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বল্প সময়ে জিনোমের বিভিন্ন অংশ বিশ্লেষণ করে পরে তা একত্রিত করা সম্ভব হয়।

এরপর মানব জিনোম উন্মোচনের ক্ষেত্রে ভেন্টারের নেতৃত্বাধীন দল প্রতিযোগিতায় নামে। ২০০৩ সালে প্রকল্পটি সম্পন্ন ঘোষণা করা হয়, যেখানে মানব জিনোমের প্রায় ৯২ শতাংশ উন্মোচন করা সম্ভব হয়েছিল।
 
ভেন্টার তার গবেষণায় নিজস্ব ডিএনএ নমুনাও ব্যবহার করেছিলেন, যা বিষয়টিকে আরও আলোচিত করে তোলে।

তার কর্মজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তাকে ন্যাশনাল মেডেল অব সায়েন্স প্রদান করেন।

সহকর্মীরা তাকে একই সঙ্গে প্রভাবশালী ও বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনে তার অবদান আধুনিক জেনেটিক্সের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow