ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা মাঞ্জিল হায়দারের ফের ৩ দিনের রিমান্ড

রাজধানীর রমনা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক কর্মকর্তা ও চাকরিচ্যুত মেজর মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে (৪৮) আবারও তিন দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পরিদর্শক মো. আমজাদ হোসেন তালুকদার আসামিকে চার দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মাঞ্জিল হায়দার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিকির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং সেই প্রভাব ব্যবহার করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে ভূমিকা রাখেন বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সরকার পরিবর্তনের পর তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করতে অর্থায়ন ও পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে গোপন বৈঠক ও ষড়যন্ত্র

ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা মাঞ্জিল হায়দারের ফের ৩ দিনের রিমান্ড

রাজধানীর রমনা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক কর্মকর্তা ও চাকরিচ্যুত মেজর মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে (৪৮) আবারও তিন দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পরিদর্শক মো. আমজাদ হোসেন তালুকদার আসামিকে চার দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, মাঞ্জিল হায়দার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিকির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং সেই প্রভাব ব্যবহার করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে ভূমিকা রাখেন বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।

এছাড়া অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সরকার পরিবর্তনের পর তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করতে অর্থায়ন ও পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে গোপন বৈঠক ও ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রমে তার সম্পৃক্ততার তথ্য তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে এবং তাদের অবস্থান শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য তাকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন জানান। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এর বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর রমনা এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সরকারবিরোধী মিছিল করে এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে কয়েকজনকে আটক করা হয় এবং সেদিনই রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

এর আগে ৯ এপ্রিল রাজধানীর মহাখালীর ডিওএইচএস এলাকা থেকে মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর একাধিক দফায় রিমান্ড শেষে বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

এমডিএএ/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow