ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা মামুন-নাসের ফের রিমান্ডে
রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও মকবুল হোসেন হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা শেখ মামুন খালেদ ও আফজাল নাসেরের জামিন আবেদন খারিজ করে তাদের ফের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (১২ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদের একদিন এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাসেরের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। এর আগে, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের ফের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের মতিঝিল বিভাগ। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মকবুল হোসেন নামে এক কর্মী আহত হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলায় সাবেক এই দুই সেনা কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তারা আবেদনে উল্লেখ করেন, ঘটনার নেপথ্যের মূল পরিকল্পনাকারী, অর্থ জোগানদাতা ও জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত করতে এ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ জরুরি
রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও মকবুল হোসেন হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা শেখ মামুন খালেদ ও আফজাল নাসেরের জামিন আবেদন খারিজ করে তাদের ফের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রোববার (১২ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদের একদিন এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাসেরের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
এর আগে, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের ফের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের মতিঝিল বিভাগ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মকবুল হোসেন নামে এক কর্মী আহত হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলায় সাবেক এই দুই সেনা কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তারা আবেদনে উল্লেখ করেন, ঘটনার নেপথ্যের মূল পরিকল্পনাকারী, অর্থ জোগানদাতা ও জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত করতে এ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ জরুরি। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের বিষয়টিও রিমান্ডের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আদালতে রিমান্ডের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, ঘটনার নেপথ্যের পরিকল্পনাকারী, অর্থ জোগানদাতা এবং অন্য জড়িতদের শনাক্ত করতে জিজ্ঞাসাবাদ জরুরি। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলে আদালত তা খারিজ করে দেন। পরে রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করা হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মোর্শেদ হোসেন শাহীন আদালতে জামিন আবেদনের শুনানিতে বলেন, বারবার রিমান্ডে নিয়ে সাবেক এই দুই কর্মকর্তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।
পরে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আজ (জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার) ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী জামিন পেয়েছেন। আমাদের মক্কেলরাও ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করি। পরবর্তী শুনানিতে তার মক্কেলরাও জামিন পেতে পারেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মামলাটি পল্টন মডেল থানায় দায়ের করা হয়েছে এবং বর্তমানে ডিবি মতিঝিল বিভাগ তদন্ত করছে। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, মামলার তদন্তের স্বার্থে রিমান্ড প্রয়োজনীয় হওয়ায় তা মঞ্জুর করা হয়েছে।
এমডিএএ/এমকেআর
What's Your Reaction?