ডিবি হেফাজতে বঙ্গভবনের প্রোগ্রামার, ১৯ ঘণ্টায়ও হয়নি কোনো সিদ্ধান্ত
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট (সাবেক টুইটার) হ্যাকড হওয়ার ঘটনায় বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমকে ধরা হয়েছে। এদিকে ১৯ ঘণ্টা পরও তার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানাতে পারেনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত হলে জানানো হবে। তিনি আমাদের হেফাজতে আছেন।’ এর আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস অডিটোরিয়ামের পূর্ব পাশের সরকারি কোয়ার্টার থেকে ছরওয়ারে আলমকে ধরে ডিএমপির ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। জব্দ করা হয় তার মুঠোফোন ও ল্যাপটপ। ডিবি সূত্র বলছে, মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় জামায়াতের আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হওয়ার ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়। তবে ছরওয়ারে আলমের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি ডিবি কর্মকর্তারা। প্রসঙ্গত, ৩১ জানুয়ারি জামায়াতের আমিরের এক
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট (সাবেক টুইটার) হ্যাকড হওয়ার ঘটনায় বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমকে ধরা হয়েছে। এদিকে ১৯ ঘণ্টা পরও তার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানাতে পারেনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত হলে জানানো হবে। তিনি আমাদের হেফাজতে আছেন।’
এর আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস অডিটোরিয়ামের পূর্ব পাশের সরকারি কোয়ার্টার থেকে ছরওয়ারে আলমকে ধরে ডিএমপির ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। জব্দ করা হয় তার মুঠোফোন ও ল্যাপটপ।
ডিবি সূত্র বলছে, মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় জামায়াতের আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হওয়ার ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়। তবে ছরওয়ারে আলমের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি ডিবি কর্মকর্তারা।
প্রসঙ্গত, ৩১ জানুয়ারি জামায়াতের আমিরের এক্স হ্যান্ডল থেকে ইংরেজিতে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। পরে একইদিন জামায়াতের অফিশিয়াল ফেসবুক পোস্টে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, সাইবার হামলার মাধ্যমে জামায়াতের আমিরের নামে মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে।
What's Your Reaction?