ডিসি কার্যালয়ে বিএনপি দুই নেতার হাতাহাতি
ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে বিএনপির দুই নেতার মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একটি ফুলের টব ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক কর্মচারী আহত হন। রোববার (৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় জেলা প্রশাসকের কক্ষ থেকে বের হচ্ছিলেন গৌরীপুর উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্য সচিব হাফেজ আজিজুল হক। একই সময়ে ডিসির কক্ষে প্রবেশ করছিলেন কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন। এ সময় দুজনের মুখোমুখি হলে তোফাজ্জল হোসেন হাফেজ আজিজুল হককে ‘বহিষ্কৃত’ ও ‘দালাল’ বলে কটূক্তি করেন। এর জবাবে হাফেজ আজিজুল হকও পাল্টা কটূক্তি করলে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুজনের মধ্যে হাতাহাতি ও চড়-থাপ্পড়ের ঘটনা ঘটে। হাফেজ আজিজুল হক ডিসি কার্যালয়ের বারান্দায় থাকা একটি ফুলের টব তুলে তোফাজ্জল হোসেনকে আঘাত করার চেষ্টা করেন। এতে টবটি ভেঙে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ডিসির বডিগার্ড (পুলিশ সদস্য) মো. জাকির হোসেন এবং অফিস সহকারী জনিসহ
ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে বিএনপির দুই নেতার মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় একটি ফুলের টব ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক কর্মচারী আহত হন।
রোববার (৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় জেলা প্রশাসকের কক্ষ থেকে বের হচ্ছিলেন গৌরীপুর উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্য সচিব হাফেজ আজিজুল হক। একই সময়ে ডিসির কক্ষে প্রবেশ করছিলেন কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন।
এ সময় দুজনের মুখোমুখি হলে তোফাজ্জল হোসেন হাফেজ আজিজুল হককে ‘বহিষ্কৃত’ ও ‘দালাল’ বলে কটূক্তি করেন। এর জবাবে হাফেজ আজিজুল হকও পাল্টা কটূক্তি করলে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুজনের মধ্যে হাতাহাতি ও চড়-থাপ্পড়ের ঘটনা ঘটে।
হাফেজ আজিজুল হক ডিসি কার্যালয়ের বারান্দায় থাকা একটি ফুলের টব তুলে তোফাজ্জল হোসেনকে আঘাত করার চেষ্টা করেন। এতে টবটি ভেঙে যায়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ডিসির বডিগার্ড (পুলিশ সদস্য) মো. জাকির হোসেন এবং অফিস সহকারী জনিসহ অন্যরা দ্রুত এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
এ সময় অফিস সহকারী জনি (৩০) হাতে আঘাত পান।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে হাফেজ আজিজুল হক ও তোফাজ্জল হোসেন উভয়েই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এ ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করে জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, হঠাৎ এ ঘটনার সূত্রপাত হওয়ায় আমিসহ উপস্থিত সবাই বিব্রত হয়েছি। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কাছ থেকে এমন কর্মকাণ্ড প্রত্যাশিত নয়।
অন্যদিকে, দুই বিএনপি নেতার এমন আচরণে বিব্রতবোধ করছেন দলের স্থানীয় নেতারাও। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
What's Your Reaction?