ডুবে যাওয়া ভাগনেকে খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল মামারও

বরগুনার বামনায় পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ (৯) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে পানিতে ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন তার মামাও। শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আমতলী এলাকার নাজির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নিহতরা হলেন দক্ষিণ আমতলী এলাকার তৈয়ব আলী নাজিরের ছেলে হাফেজ মুহাম্মদ তামিমুল ইসলাম তানভীর (২১) এবং তার ভাগনে মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ (৯)। ওবায়দুল্লাহ ঢাকার একটি হেফজ মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল। তানভীর স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে নিহত তামিমুল ইসলাম তানভীরের মায়ের মৃত্যু হয়। এ কারণে পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে তার মায়ের জন্য দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করেন। ওই দোয়া অনুষ্ঠানে অংশ নিতে স্বজনদের সঙ্গে ঢাকা থেকে মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহও নানার বাড়িতে আসে। শনিবার দুপুরের দিকে ভাগনেকে নিয়ে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে যান মামা তানভীর। তিনি ভাগনেকে কাঁধে নিয়ে সাঁতরে পুকুরের এক পাশ থেকে আরেক আশে যাচ্ছিলেন। এসময় ওবায়দুল্লাহ ক

ডুবে যাওয়া ভাগনেকে খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেল মামারও

বরগুনার বামনায় পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ (৯) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে পানিতে ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন তার মামাও।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আমতলী এলাকার নাজির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

সন্ধ্যায় বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিহতরা হলেন দক্ষিণ আমতলী এলাকার তৈয়ব আলী নাজিরের ছেলে হাফেজ মুহাম্মদ তামিমুল ইসলাম তানভীর (২১) এবং তার ভাগনে মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ (৯)।

ওবায়দুল্লাহ ঢাকার একটি হেফজ মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল। তানভীর স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে নিহত তামিমুল ইসলাম তানভীরের মায়ের মৃত্যু হয়। এ কারণে পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে তার মায়ের জন্য দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করেন। ওই দোয়া অনুষ্ঠানে অংশ নিতে স্বজনদের সঙ্গে ঢাকা থেকে মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহও নানার বাড়িতে আসে। শনিবার দুপুরের দিকে ভাগনেকে নিয়ে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে যান মামা তানভীর। তিনি ভাগনেকে কাঁধে নিয়ে সাঁতরে পুকুরের এক পাশ থেকে আরেক আশে যাচ্ছিলেন।

এসময় ওবায়দুল্লাহ কাঁধ থেকে ছুটে গিয়ে মুহূর্তের মধ্যেই পানিতে ডুবে যায়। পরে ভাগনেকে উদ্ধারের জন্য খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে তানভীরও পানিতে ডুবে যান। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, ‌পুকুরে ডুবে মামা ও ভাগনের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের কারও কোনো অভিযোগ নেই। ঘটনাটি প্রকাশ্যে ঘটেছে। ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের অনুমতিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নুরুল আহাদ অনিক/এসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow