ডেঙ্গুমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ঢামেকের উদ্যোগে সচেতনতা র্যালি
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের উদ্যোগে সচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভা পর্যায়ে একযোগে পরিচালিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ সচেতনতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢামেক হাসপাতালে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিটি হাসপাতালের বাগান গেট থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বহির্বিভাগ (আউটডোর) এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এতে হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান। আরও ছিলেন হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আশরাফুল ইসলাম, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সরকারি পরিচালক ডা. নুরজাহান আক্তার ও হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানসহ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। র্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বক্তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং জনগণকে
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের উদ্যোগে সচেতনতামূলক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভা পর্যায়ে একযোগে পরিচালিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ সচেতনতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢামেক হাসপাতালে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালিটি হাসপাতালের বাগান গেট থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বহির্বিভাগ (আউটডোর) এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এতে হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান। আরও ছিলেন হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আশরাফুল ইসলাম, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সরকারি পরিচালক ডা. নুরজাহান আক্তার ও হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানসহ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
র্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বক্তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং জনগণকে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তারা।
কাজী আল-আমিন/এমকেআর
What's Your Reaction?