ঢাকা ওয়াসার অপসারণকৃত এমডির বিরুদ্ধে সিআইডির অনুসন্ধান শুরু
ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আব্দুস সালাম ব্যাপারীকে অপসারণ করেছে সরকার। আর অপসারণের এক ঘণ্টার মধ্যে তার বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। রোববার (৮ মার্চ) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ঢাকা ওয়াসার অপসারণ করা এমডি মো. আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অনুসন্ধান শুরু করেছে সিআইডি। অনুসন্ধানে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, মো. আব্দুস সালাম ব্যাপারী ১৯৯১ সালে ঢাকা ওয়াসায় সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। পরে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্জিত অর্থ অবৈধ প্রক্রিয়ায় বিদেশে পাচার করে তিনি নিজ, তার স্ত্রী এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে বিপুল সংখ্যক স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বলেন, অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ২০১৮ সালে তিনি নিজের নাম এবং তার স্ত্রী মাহবুবুন্নেছার নামে কানাডার টরেন্টো শহরে একটি বাড়ি ক্রয় করেন। স্থানীয় ভূমি নিবন্ধন অফিস সূত্রে এ-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া
ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আব্দুস সালাম ব্যাপারীকে অপসারণ করেছে সরকার। আর অপসারণের এক ঘণ্টার মধ্যে তার বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
রোববার (৮ মার্চ) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ঢাকা ওয়াসার অপসারণ করা এমডি মো. আব্দুস সালাম ব্যাপারীর বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অনুসন্ধান শুরু করেছে সিআইডি। অনুসন্ধানে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, মো. আব্দুস সালাম ব্যাপারী ১৯৯১ সালে ঢাকা ওয়াসায় সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। পরে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্জিত অর্থ অবৈধ প্রক্রিয়ায় বিদেশে পাচার করে তিনি নিজ, তার স্ত্রী এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে বিপুল সংখ্যক স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বলেন, অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ২০১৮ সালে তিনি নিজের নাম এবং তার স্ত্রী মাহবুবুন্নেছার নামে কানাডার টরেন্টো শহরে একটি বাড়ি ক্রয় করেন। স্থানীয় ভূমি নিবন্ধন অফিস সূত্রে এ-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেছে। জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৮ মার্চ ক্রয়কৃত ওই বাড়িটির বর্তমান মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০ কোটি টাকা। বিভিন্ন গণমাধ্যমেও কানাডার টরেন্টোতে তার পরিবারের নামে বাড়ি থাকার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
এ-সংক্রান্ত মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ অনুসারে অনুসন্ধানপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সিআইডি অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানান জসীম উদ্দিন খান।
What's Your Reaction?