ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৯ কিলোমিটার যানজট
ঈদুল আজহা সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে শুরু করেছে দেশের অন্যতম ব্যস্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে। গাজীপুরের কালিয়াকৈরের চন্দ্রা থেকে কোনাবাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার, নবীনগর সড়কে ৫ কিলোমিটার এবং টাঙ্গাইল রোডে ২ কিলোমিটারসহ মোট প্রায় ১৯ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীরা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) একদিনেই প্রায় ৪৩ শতাংশ শিল্প-কারখানা ছুটি হওয়ায় লাখ লাখ শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবী একযোগে বাড়ির পথে রওনা দেন। এর আগে সোমবারও প্রায় ৪২ শতাংশ কারখানা ছুটি থাকায় মহাসড়কে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। ফলে সকাল থেকেই ধীরগতির যান চলাচল শুরু হয়ে তা দীর্ঘ যানজটে রূপ নেয়।
জানা যায়, দুপুরের পর বৃষ্টি শুরু হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে। বৃষ্টির কারণে যানবাহনের গতি কমে যায় এবং বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ সময় ধরে একই স্থানে গাড়ি আটকে থাকতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও কয়েক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে তিন থেকে চার ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।
উত্তরবঙ্গগামী যাত্রী শামসুল হাসান বলেন, ‘কোনাবাড়ি থেকে গাড়িতে ওঠার পর কয়েক ঘণ্টা পার
ঈদুল আজহা সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে শুরু করেছে দেশের অন্যতম ব্যস্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে। গাজীপুরের কালিয়াকৈরের চন্দ্রা থেকে কোনাবাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার, নবীনগর সড়কে ৫ কিলোমিটার এবং টাঙ্গাইল রোডে ২ কিলোমিটারসহ মোট প্রায় ১৯ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীরা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) একদিনেই প্রায় ৪৩ শতাংশ শিল্প-কারখানা ছুটি হওয়ায় লাখ লাখ শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবী একযোগে বাড়ির পথে রওনা দেন। এর আগে সোমবারও প্রায় ৪২ শতাংশ কারখানা ছুটি থাকায় মহাসড়কে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। ফলে সকাল থেকেই ধীরগতির যান চলাচল শুরু হয়ে তা দীর্ঘ যানজটে রূপ নেয়।
জানা যায়, দুপুরের পর বৃষ্টি শুরু হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে। বৃষ্টির কারণে যানবাহনের গতি কমে যায় এবং বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ সময় ধরে একই স্থানে গাড়ি আটকে থাকতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও কয়েক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে তিন থেকে চার ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগছে বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।
উত্তরবঙ্গগামী যাত্রী শামসুল হাসান বলেন, ‘কোনাবাড়ি থেকে গাড়িতে ওঠার পর কয়েক ঘণ্টা পার হলেও খুব বেশি দূর যেতে পারিনি। সামনে আরও অনেক পথ বাকি।’
টাঙ্গাইলগামী যাত্রী সুলাইমান বলেন, ‘অতিরিক্ত ভাড়া নিয়েও ঠিকমতো গাড়ি চলছে না। যানজটের কারণে মাঝেমধ্যে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।’
জামালপুরগামী যাত্রী শামীমা আক্তার জানান, ‘বৃষ্টির মধ্যে ছোট শিশু নিয়ে গাড়িতে বসে থাকতে খুব কষ্ট হচ্ছে। যানজটের কারণে ঈদযাত্রা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।’
যাত্রীদের অভিযোগ, সুযোগ বুঝে অনেক পরিবহন স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত ভাড়া আদায় করছে। তবুও বাড়ি ফেরার তাড়নায় বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েই যাত্রা করতে হচ্ছে।
পরিবহন শ্রমিকরা বলছেন, একসঙ্গে বিপুল যাত্রীচাপ ও বৃষ্টির কারণে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে যানজট আরও দীর্ঘ হচ্ছে।
এ বিষয়ে কোনাবাড়ি নাওজোর হাইওয়ে থানার ওসি সওগাতুল আলম বলেন, ‘অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে মহাসড়কে চাপ বেড়েছে। বৃষ্টির কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলায় যানজট দীর্ঘ হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কাজ করছে।’