ঢাকা দক্ষিণ সিটিকে জীবাণুমুক্ত করতে ৪৬ টন ব্লিচিং পাউডার বিতরণ
ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ ও জীবাণুমুক্ত করার জন্য ৭৫টি ওয়ার্ডে ৪৬ টন ব্লিচিং পাউডার, ২১০ গ্যালন স্যাভলন ও এক লাখ ৪০ হাজার জৈবপচনশীল ব্যাগ বিতরণ করা হচ্ছে। সোমবার (২৫ মে) জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তিনি বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন ও আনন্দময় পরিবেশ উপহার দিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ডিএসসিসি। ঈদের দিন দুপুরের পর থেকে পরবর্তী আট ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির সব বর্জ্য অপসারণ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সংস্থাটি। এসময় সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সার্বিক পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। জানানো হয়, ঈদের দিন দুপুর দেড়টায় কলাবাগান এসটিএস (সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাতুয়াইল ভাগাড়ে বর্জ্য পরিবহনের কাজ শুরু হবে। প্রথম দিনের বর্জ্য রাত সাড়ে ৯টার মধ্যেই পুরোপুরি অপসারণ করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কোরবানির হাটের কার্যক্রম এবং বর্জ্য অপসারণের পুরো প্রক্রিয়াটি সরাসরি তদারকি করতে ডিএসসিসি দপ্তরে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছ
ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ ও জীবাণুমুক্ত করার জন্য ৭৫টি ওয়ার্ডে ৪৬ টন ব্লিচিং পাউডার, ২১০ গ্যালন স্যাভলন ও এক লাখ ৪০ হাজার জৈবপচনশীল ব্যাগ বিতরণ করা হচ্ছে।
সোমবার (২৫ মে) জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
তিনি বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন ও আনন্দময় পরিবেশ উপহার দিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ডিএসসিসি। ঈদের দিন দুপুরের পর থেকে পরবর্তী আট ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির সব বর্জ্য অপসারণ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সংস্থাটি।
এসময় সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সার্বিক পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। জানানো হয়, ঈদের দিন দুপুর দেড়টায় কলাবাগান এসটিএস (সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাতুয়াইল ভাগাড়ে বর্জ্য পরিবহনের কাজ শুরু হবে। প্রথম দিনের বর্জ্য রাত সাড়ে ৯টার মধ্যেই পুরোপুরি অপসারণ করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কোরবানির হাটের কার্যক্রম এবং বর্জ্য অপসারণের পুরো প্রক্রিয়াটি সরাসরি তদারকি করতে ডিএসসিসি দপ্তরে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। সেখান থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে। এছাড়া প্রতিটি হাটে আলাদা তদারকি টিম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মেডিকেল টিম নিয়োজিত থাকবে।
নগরবাসীর প্রতি ডিএসসিসির আহ্বান- নির্দিষ্ট স্থানে কোরবানি দিয়ে পশুর বর্জ্য ব্যাগে ভরে নির্ধারিত জায়গায় রাখুন। কোরবানি শেষে স্থানটি পানি দিয়ে ধুয়ে ব্লিচিং পাউডার ও স্যাভলন ছিটিয়ে দিন। কোনো অবস্থাতেই নালা বা নর্দমায় বর্জ্য ফেলবেন না।
একটি পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর ঈদ উদযাপন নিশ্চিত করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নগরবাসীর পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করেছে।
এফএইচ/একিউএফ
What's Your Reaction?