ঢাকা বার নির্বাচনে প্রথম দিনে ১২ শতাংশ আইনজীবীর ভোটাধিকার প্রয়োগ
ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২৭ কার্যকরী কমিটির দুইদিন ব্যাপী নির্বাচনের প্রথম দিনে দুই হাজার ৭৫৯ জন নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। যা মোট ২১ হাজার ৭৩১ ভোটারের মধ্যে ১২ দশমিক ৬৯ শতাংশ। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ দুপুরে ১ ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। একইভাবে আগামীকাল বৃহস্পতিবারও ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এতে এখনো ভোট না দেওয়া বাকি ২০ হাজার ৭৮৫ আইনজীবী নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। এ বিষয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, প্রথম দিনে বৃষ্টির বাঁধায় ভোট কম পড়েছে। তবে প্রথম দিনের ভোট গ্রহণে আমরা সন্তুষ্ট। প্রত্যাশা করছি, দ্বিতীয় দিনে ভোটারদের চাপ বাড়বে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩টি পদে ভোটগ্রহণ হবে। বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ সমর্থিত আইনজীবীরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (নীল প্যানেল) এবং জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ (সবুজ প্যানেলে) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। উভয় প্যানেলে ২৩ জন করে মোট ৪৬ জন ছাড়াও স্বতন্ত্র আটজন প্রার
ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২৭ কার্যকরী কমিটির দুইদিন ব্যাপী নির্বাচনের প্রথম দিনে দুই হাজার ৭৫৯ জন নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। যা মোট ২১ হাজার ৭৩১ ভোটারের মধ্যে ১২ দশমিক ৬৯ শতাংশ।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ দুপুরে ১ ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। একইভাবে আগামীকাল বৃহস্পতিবারও ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এতে এখনো ভোট না দেওয়া বাকি ২০ হাজার ৭৮৫ আইনজীবী নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
এ বিষয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, প্রথম দিনে বৃষ্টির বাঁধায় ভোট কম পড়েছে। তবে প্রথম দিনের ভোট গ্রহণে আমরা সন্তুষ্ট। প্রত্যাশা করছি, দ্বিতীয় দিনে ভোটারদের চাপ বাড়বে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩টি পদে ভোটগ্রহণ হবে। বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ সমর্থিত আইনজীবীরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (নীল প্যানেল) এবং জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত আইনজীবী ঐক্য পরিষদ (সবুজ প্যানেলে) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
উভয় প্যানেলে ২৩ জন করে মোট ৪৬ জন ছাড়াও স্বতন্ত্র আটজন প্রার্থী বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নীল প্যানেল থেকে সভাপতি পদে মো. আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ আবুল কালাম খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্যানেলের অন্য প্রার্থীরা হলেন— সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. রেজাউল করিম চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান (আনিস), সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. এলতুতমিশ সওদাগর (অ্যানি), সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মাহাদী হাসান জুয়েল, লাইব্রেরি সম্পাদক খন্দকার মাকসুদুল হাসান (সবুজ), সাংস্কৃতিক সম্পাদক মারজিয়া হীরা, অফিস সম্পাদক মো. আফজাল হোসেন মৃধা, ক্রীড়া সম্পাদক মো. সোহেল খান, সমাজকল্যাণ সম্পাদক এ.এস.এম ফিরোজ এবং তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে শফিকুল ইসলাম (শফিক)।
সদস্য পদে এই প্যানেল থেকে লড়ছেন— এ.এইচ.এম রেজওয়ানুল সাঈদ (রোমিও), ফারজানা ইয়াসমিন, মো. আদনান রহমান, মো. নিজাম উদ্দিন, মো. নজরুল ইসলাম (মামুন), মো. সানাউল, মামুন মিয়া, মুজাহিদুল ইসলাম (সায়েম), শেখ শওকত হোসেন এবং সৈয়দ সারোয়ার আলম (নিশান)।
অপর দিকে জামায়াত-এনসিপি সমর্থিত ১১ জোটের সবুজ প্যানেল থেকে সভাপতি পদে এস. এম. কামাল উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. আবু বাক্কার সিদ্দিক লড়ছেন।
এই প্যানেলের অন্য প্রার্থীরা হলেন— সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শাহিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মো. লুৎফর রহমান (আজাদ), কোষাধ্যক্ষ মো. আজমত হোসেন, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীন আক্তার, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান ভূঁইয়া, লাইব্রেরি সম্পাদক মো. শাহাদাত হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার, অফিস সম্পাদক মো. আবদুর রাজ্জাক, ক্রীড়া সম্পাদক বাবুল আক্তার (বাবু), সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান মোল্লা এবং তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক পদে মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ।
সদস্য পদে এই প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন— বেলাল হোসেন, দিলরুবা আক্তার (সুবর্ণা), জহিরুল ইসলাম, কাওসার আহমেদ, মো. কাইয়ুম হোসেন (নয়ন), মো. মহসিন (রেজা), মো. ওমর ফারুক, মো. শাহ আলম, মো. ইউনুস এবং মোশাররফ হোসেন। এছাড়া স্বতন্ত্র হিসেবে সভাপতি পদে মোহাম্মদ ইউনুস আলী বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক পদে বলাই চন্দ্র দেব ও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, কোষাধ্যক্ষ পদে রফিকুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে দেওয়ান আবুল হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ওলিদা বেগম, অফিস সম্পাদক পদে জাকির হোসেন ও একজন সদস্য পদে নির্বাচন করছেন।
এর আগে এর আগে আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সরকারের আমলে ২০২৪ সালের ২৮ ও ২৯ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ২১টি পদে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা।তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচিতরা আদালতে আসা বন্ধ করে দেন। এতে সমিতির সব কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। এই পরিস্থিতিতে ওই বছরের ১৩ আগস্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করেন বিএনপি ও জামায়াতপন্থী আইনজীবীরা। এরপর থেকেই তারা দায়িত্ব পালন করছেন। এই কমিটি নির্বাচন পরিচালনায় কমিশন গঠন করেন। পরবর্তীকালে গত ২৯ মার্চ প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. বোরহান উদ্দিন তপশিল ঘোষণা করেন।
What's Your Reaction?