ঢাকা-৫ আসনে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ, ব্যালট সংরক্ষণের নির্দেশ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঢাকা-৫ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে বিএনপির প্রার্থী মো. নবী উল্লার আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্ট গ্রহণ করেছেন। একইসঙ্গে হাইকোর্ট ওই আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ঢাকা-৫ আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন। এর আগে ২৫-এর বেশি প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। হাইকোর্ট এসব আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন।
হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় দেখা যায়, এই বেঞ্চে অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারসহ ২০০১ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্রের শুনানি, রুল গ্রহণ ও আ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঢাকা-৫ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে বিএনপির প্রার্থী মো. নবী উল্লার আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্ট গ্রহণ করেছেন। একইসঙ্গে হাইকোর্ট ওই আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ঢাকা-৫ আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন। এর আগে ২৫-এর বেশি প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। হাইকোর্ট এসব আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন।
হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় দেখা যায়, এই বেঞ্চে অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারসহ ২০০১ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্রের শুনানি, রুল গ্রহণ ও আবেদনপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।